তিমুর-লেস্তের কৃষি, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য ও বন মন্ত্রণালয় (এমএএলএফএফ) ওয়ার্ল্ডফিশ এবং অস্ট্রেলিয়ার জেমস কুক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে মিলে দেশের মৎস্যসম্পদ টেকসইভাবে ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সক্ষমতা গড়তে মৎস্য সহ-ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করেছে, জানিয়েছে ওয়ার্ল্ডফিশ।
৫ থেকে ৯ অক্টোবর লিকুইসার মাউবারায় জাতীয় মৎস্য ও জলজ চাষ ইনস্টিটিউটে প্রথম কোর্সে অংশ নেন লিকুইসা, আতাউরো ও ওকুসে পৌরসভার মৎস্য কর্মকর্তা, জেলে এবং মাছের সরবরাহ শৃঙ্খলের মানুষ। প্রশিক্ষণ দেন সেই স্থানীয় প্রশিক্ষকেরা, যাঁরা সম্প্রতি তিন অংশীদারের প্রশিক্ষক-প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন; এখন মন্ত্রণালয়ের এই নতুন সহায়কেরা স্থানীয় প্রয়োজন অনুযায়ী সহ-ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা তৈরিতে সম্প্রদায় ও পৌরসভাগুলোকে সাহায্য করবেন।
তিমুর-লেস্তেতে মাছ ও অন্যান্য জলজ খাদ্য প্রোটিন ও অণুপুষ্টির বড় উৎস এবং বহু উপকূলীয় পরিবারের জীবিকা; ওয়ার্ল্ডফিশ জানায়, গত ১৫ বছরে দেশটির অভ্যন্তরীণ ও শহুরে পরিবারে মাছ খাওয়া দ্বিগুণ হয়েছে।
মৎস্যবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী দোমিঙ্গোস দা কনসেইসাও দোস সান্তোস বলেন, অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নারী-পুরুষ জেলেদের বড় ভূমিকা আছে; একসঙ্গে কাজ ও সিদ্ধান্ত নিলে খাত আরও সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়। ওয়ার্ল্ডফিশের দেশীয় প্রতিনিধি মারিও পেরেইরা বলেন, সম্প্রদায়, সরকার ও অন্যরা যখন জ্ঞান ও দায়িত্ব ভাগ করে নেয়, তখনই সহ-ব্যবস্থাপনা সবচেয়ে ভালো কাজ করে।
প্রশিক্ষণটি গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটির অর্থায়নে, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বাস্তবায়নে এবং ওয়ার্ল্ডফিশ ও মন্ত্রণালয়ের পরিচালনায় পাঁচ বছরের 'ইকান অ্যাডাপ্ট' অংশীদারত্বের অংশ, যা প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান দিয়ে জলজ চাষ ও মৎস্যজীবীদের জীবিকাকে জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা সামলানোর উপযোগী করছে।
ছবি: David Palazón, Tatoli Ba Kultura / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: WorldFish





মন্তব্য
(০)