ভারতের প্রস্তাবিত 'ক্ষুদ্র মৎস্য খাতের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা' (এনপিওএ-এসএসএফ) যেন জেলে সম্প্রদায়কে তীব্র আবহাওয়া ও জলবায়ু ঝুঁকির জন্য প্রস্তুত করে এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করে, সেই দাবি জানিয়েছেন কেরালার ক্ষুদ্র জেলেরা, জানিয়েছে অ্যাগ্রোস্পেকট্রাম। নারীদের জেলে হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও নীতিনির্ধারণে বেশি প্রতিনিধিত্বও চেয়েছেন তাঁরা।
কোচিতে আইসিএআর-কেন্দ্রীয় মৎস্য প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটে (সিফট) ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ফিশার অর্গানাইজেশনসের সঙ্গে আয়োজিত এ মতবিনিময়ে জেলে, নারী মৎস্যশ্রমিক, মাছ বিক্রেতা, জেলে সংগঠন ও গবেষকসহ ৫০ জনের বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন। কেন্দ্রীয় মৎস্য বিভাগ উপকূলীয় সব রাজ্যে এমন মতবিনিময় করছে; সচিবালয়ের দায়িত্বে আছে বে অব বেঙ্গল প্রোগ্রাম আন্তঃসরকার সংস্থা (বিওবিপি-আইজিও)।
অংশগ্রহণকারীরা জাতীয় মৎস্য কৌশলে দুর্যোগ প্রস্তুতি ও জলবায়ু অভিযোজন যুক্ত করা এবং চরম আবহাওয়ায় সাগরে যেতে না পারার দিনের আয়ের ক্ষতিপূরণ চান। টেকসই মাছ ধরার জন্য জালের ফাঁসের মাপের পূর্ণাঙ্গ বিধি, প্রথাগত মাছ ধরা ও এলাকার অধিকার রক্ষা এবং সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ বাড়ানোর প্রস্তাবও আসে। নারী মৎস্যশ্রমিকেরা প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনে তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি চান।
মতবিনিময়ের নেতৃত্ব দেওয়া সিফটের ড. নিকিতা গোপাল জানান, এসব মতামত জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের টাস্কফোর্সে জমা দেওয়া হবে। বিওবিপি-আইজিওর পরিচালক ড. পি কৃষ্ণন বলেন, পরিকল্পনায় সম্পদে প্রবেশাধিকার, টেকসই ব্যবস্থাপনা, শোভন কাজ, লিঙ্গসমতা, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ঝুঁকির বিষয় থাকবে।
নভেম্বরের শুরুতে টাস্কফোর্স মতবিনিময়ের ফল খসড়া পরিকল্পনায় যুক্ত করবে; ২১ নভেম্বর ২০২৬ খসড়াটি জনমতের জন্য প্রকাশের কথা, এরপর পর্যালোচনা, চূড়ান্তকরণ ও প্রজ্ঞাপন।
ছবি: Hans A. Rosbach / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: অ্যাগ্রোস্পেকট্রাম




মন্তব্য
(০)