মৎস্যকেরালার সাগরে দড়িতে ঝিনুক চাষের ইউনিট, সঙ্গে বীজের হ্যাচারি
ভারতের পিএমএমএসওয়াই প্রকল্পের ২০টি ভাসমান পাত্র আর ১২০টি চাষের দড়ির ইউনিটে মৌসুমে প্রায় ৩-৪ টন ঝিনুক হতে পারে; নতুন হ্যাচারি বুনো বীজের ওপর নির্ভরতা কমাবে।
মৎস্যভারতের পিএমএমএসওয়াই প্রকল্পের ২০টি ভাসমান পাত্র আর ১২০টি চাষের দড়ির ইউনিটে মৌসুমে প্রায় ৩-৪ টন ঝিনুক হতে পারে; নতুন হ্যাচারি বুনো বীজের ওপর নির্ভরতা কমাবে।
মৎস্যআইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।
মৎস্যভারতের ক্ষুদ্র মৎস্য খাতের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কোচিতে মতবিনিময়ে জেলেরা দুর্যোগ প্রস্তুতি, খারাপ আবহাওয়ায় হারানো আয়ের ক্ষতিপূরণ ও নারীদের জেলে হিসেবে স্বীকৃতির দাবি জানান।
পরিবেশকেরালার ওয়েনাড় জেলায় জনগণের অংশগ্রহণে চলা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণে সেপ্টেম্বরের প্রথম ভাগে গড় তাপমাত্রা ২৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আগের তিন বছরের চেয়ে ১.৯ ডিগ্রি বেশি; কফি, গোলমরিচ, সুপারি ও ধানচাষিদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে।
মৎস্যভারতের পিএমএমএসওয়াই প্রকল্পে ২০২০-২৫ মেয়াদে প্রথাগত জেলেদের জন্য ৩৯২টি ভর্তুকির গভীর সমুদ্রগামী নৌকা অনুমোদন হলেও ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফরমাশ হয়েছে মাত্র ১৩১টি; কেরালার প্রথম মালিকেরা ত্রুটিপূর্ণ নৌকা, ভর্তুকির দেরি আর বাড়তে থাকা ঋণের কথা বলছেন।
মৎস্যভেম্বানাদ হ্রদের এক হেক্টরে পাঁচ টন কালো ঝিনুকের পোনা ছাড়ার এক বছর পর ফলন দাঁড়িয়েছে ছাড়া পোনার সাত থেকে আট গুণ। আইসিএআর-সিএমএফআরআই বলছে, পরিকল্পিত মজুদ বাড়ানোয় কমতে থাকা এই মৎস্যসম্পদ ফেরানো সম্ভব।
ইসলামচতুর্দশ শতকে ইয়েমেনি জাহাজমালিক নাখুদা মিশকালের তৈরি কেরালার কুট্টিচিরার এই মসজিদ একসময় সাত তলা ছিল; এখন চার তলা টিকে আছে, দাঁড়িয়ে আছে ২৪টি স্তম্ভের ওপর।
ফুলদক্ষিণ ভারতের পশ্চিমঘাট ও নীলগিরির পাহাড়ে প্রায় ১২ বছর পরপর একসঙ্গে ফোটে নীলকুরুঞ্জি, তখন বিস্তীর্ণ ঢাল ঢেকে যায় বেগুনি-নীল রঙে।
ভারতের কেরালার সংগীত ও কাব্যা দম্পতি নিজেদের বাড়িতে সবজি, মাছ ও মাশরুম চাষ, গরু-মুরগি পালন, গোবরের বায়োগ্যাস, সৌরবিদ্যুৎ ও মৌচাষ মিলিয়ে এমন এক চক্র গড়েছেন, যেখানে এক ব্যবস্থার বর্জ্য অন্যটির কাঁচামাল।
ভারতের কেরালার কাসারগড় জেলায় ২০ বছরের বেশি সময় কাজুবাদাম খেতে আকাশ থেকে ছিটানো এন্ডোসালফান কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় জন্মগত বিকলাঙ্গতা ও স্নায়ুরোগে আক্রান্ত হয়েছেন হাজারো মানুষ; সেই বিপর্যয়ের ছবি এখন কোচির একটি প্রদর্শনীতে।