প্রায় ১২ বছর পরপর একসঙ্গে ফোটে নীলকুরুঞ্জি (Strobilanthes kunthiana)। তখন দক্ষিণ ভারতের পাহাড়ের বিস্তীর্ণ ঢাল সবুজের বদলে বেগুনি-নীল রঙে ঢেকে যায়। প্রতিবছর ফোটা মৌসুমি ফুলের মতো নয় বলে প্রতিটি প্রস্ফুটনই সেখানে বিশেষ প্রাকৃতিক ঘটনা।
ফুলটি দেখার সবচেয়ে পরিচিত জায়গাগুলোর একটি কেরালার মুন্নার। পশ্চিমঘাটের এই পাহাড়ি শহর চা-বাগান আর সবুজ পাহাড়ের জন্য এমনিতেই পরিচিত। মুন্নারের ইরাভিকুলাম জাতীয় উদ্যান, বিশেষ করে রাজামালাই উপত্যকা ও কোভিলুর এলাকায় নীলকুরুঞ্জির বিস্তার দেখা যায়।
তামিলনাড়ুর নীলগিরি পর্বতমালার সঙ্গেও ফুলটির নাম জড়িয়ে আছে। 'নীলগিরি' নামের অর্থ 'নীল পাহাড়', আর নীলকুরুঞ্জি ফুটলে পাহাড় ঢেকে যাওয়া রঙের সঙ্গে নামটির মিল চোখে পড়ে। উটি ও কোদাইকানালের ট্রেকিং পথেও ফুলটির দেখা মিলতে পারে।
কর্ণাটকের পশ্চিমঘাট অঞ্চলের চিকমাগালুর, বাবা বুদানগিরি ও মুল্লায়ানাগিরি পাহাড়ের ঢালও নীলকুরুঞ্জির উল্লেখযোগ্য আবাস। দীর্ঘ এই ফুল ফোটার চক্রের কারণে ফুল দেখতে যেতে চাইলে জায়গার পাশাপাশি কখন ফুটবে, সে তথ্যও আগে জেনে নিতে হয়।
ফুল দেখতে গিয়ে প্রকৃতির ক্ষতি না করার অনুরোধ রয়েছে প্রতিবেদনে। গাছের ডাল ভাঙা, ফুল ছেঁড়া বা গাছ উপড়ানো উচিত নয়, আর সংরক্ষিত এলাকায় এমন কাজ আইনত নিষিদ্ধও হতে পারে। ছবি তুলে স্মৃতি রাখাই ভালো উপায়।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের বরাতে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে জাগো নিউজ ২৪।
ছবি: Aruna Radhakrishnan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪




মন্তব্য
(০)