বাগদা-গলদা হোক বা ছোট কুচো চিংড়ি, রান্নার আগে ভালোভাবে পরিষ্কার করা জরুরি। বড় চিংড়ির পিঠের কালো শিরা আর ছোট চিংড়ির মাথা-খোসা ছাড়াতে অনেকে ঝামেলায় পড়েন। কয়েকটি সহজ কৌশল জানিয়েছে জাগো নিউজের লাইফস্টাইল বিভাগ।
বড় চিংড়ি: প্রথমে মাথা আলতো করে টেনে খুলে নিন। পিঠের ওপরের অংশে ছুরি দিয়ে অল্প চিরে কালচে শিরাটি বের করুন, চাইলে টুথপিক দিয়েও টেনে আনা যায়; খেয়াল রাখুন মাংস যেন বেশি কেটে না যায়। এই শিরা আসলে পরিপাকনালি, এতে বালি বা হজম না হওয়া খাবারের অবশেষ থাকতে পারে, তাই সরিয়ে ফেললে খাবার পরিচ্ছন্ন থাকে আর বালির কড়মড়ে ভাব এড়ানো যায়। তাজা ও ভালো করে পরিষ্কার করা মাথা অল্প তেলে ভেজে ঝোল বা স্টকে দিলে স্বাদ বাড়তে পারে।
ছোট চিংড়ির মাথা: ভালো করে ধুয়ে আঙুলে মাথা আলতো চেপে ভেতরের ময়লা বের করুন; সামনের ধারালো অংশ ও শুঁড় কাঁচি দিয়ে কেটে নিতে পারেন। মাথার কালচে অংশ মানেই ময়লা বা সংক্রমণ নয়, ভালো করে পরিষ্কার করাই আসল।
খোসা ছাড়ানো: হাত দিয়ে মাথা ও লেজ আলাদা করে খোসা আলতো টেনে ছাড়ান, অনেক চিংড়ি হলে অল্প অল্প করে কাজ করুন। হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখলে খোসা নরম হয়; ঝুড়িতে নিয়ে হালকা ঘষলে খোসা দ্রুত ওঠে। তবে গরম পানিতে কাঁচা চিংড়ির গঠন বদলাতে পারে, আর রান্নার আগে চিংড়ি বেশিক্ষণ ঘরের তাপমাত্রায় ফেলে রাখবেন না।
কুলা ও লবণ: ছোট চিংড়ি কয়েকবার পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে হাতে নেড়ে ভাসমান খোসা, শুঁড় ও আবর্জনা আলাদা করুন, চাইলে ছাঁকনি ব্যবহার করুন। কুলায় ঝেড়ে পরিষ্কারের পুরোনো পদ্ধতিও কাজে দেয়, তবে চিংড়ি যেন ছিটকে না পড়ে। গায়ে পিচ্ছিল ভাব বা শ্যাওলার মতো ময়লা থাকলে ছাঁকনিতে নিয়ে মোটা দানার লবণ ছিটিয়ে হাতে হালকা ঘষে নিন।
আঁশটে গন্ধ কমাতে পরিষ্কার পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
ছবি: Perplexing / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪





মন্তব্য
(০)