সাবধানে না রাখলে আচারে অণুজীব জন্মায়, গেঁজে ওঠে, নষ্ট হয়ে যায়। ডেইলি বাংলাদেশের লাইফস্টাইল বিভাগে আচার দীর্ঘদিন ভালো রাখার কয়েকটি নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে। প্রথম শর্ত পরিচ্ছন্নতা: যিনি সংরক্ষণ করবেন তাঁর হাত এবং যেখানে রাখবেন সেই জায়গা দুটিই পরিষ্কার হতে হবে।
আচার রাখার জন্য পরিষ্কার কাচের বয়াম ভালো। বয়াম ও ঢাকনা ধুয়ে পুরো শুকিয়ে, সম্ভব হলে রোদে দিয়ে নিন। ছুরি, চামচ, ছাঁকনি, গামলা, কড়াই, ট্রের মতো সরঞ্জাম সাবান, সোডা ও গরম পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। আচারের ফল বা উপকরণ ধোয়ার পর পানি পুরো ঝরিয়ে ভালো করে শুকান।
চিনি, গুড়, লবণ, সিরকা, তেল ও মসলা আচারের সংরক্ষক উপাদান। লবণ কম হলে জীবাণু জন্মানোর ঝুঁকি বাড়ে, ঠিক পরিমাণে দিলে স্বাদ-গন্ধ থাকে। আচারের ওপর যেন তেলের একটি আস্তরণ থাকে, খেয়াল রাখুন। সিরকা মেশালেও আচার অনেক দিন রাখা যায়; হলুদ, মেথি গুঁড়া ও হিংও সহায়ক। প্রয়োজনে সোডিয়াম বেনজোয়েটের মতো অনুমোদিত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের কথাও বলা হয়েছে।
নোংরা হাত বা ভেজা চামচে আচার তুললে, কিংবা স্যাঁতসেঁতে ঘরে রাখলে আচার নষ্ট হয়। রোজ খাওয়ার জন্য বড় বয়াম থেকে অল্প আচার ছোট পাত্রে তুলে রাখুন, তাতে মূল বয়াম বারবার খুলতে হবে না। বয়ামের মুখ ঠিকমতো বন্ধ না হলে জীবাণু ঢুকে পচন ধরে, দুর্গন্ধ হয়।
তৈরি করে ফেলে না রেখে মাঝে মাঝে রোদে দিন; প্রতিবেদনে বয়াম প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা রোদে রাখার পরামর্শ আছে। ফ্রিজে রাখলেও আচার দীর্ঘদিন ভালো থাকে, কারণ ঠান্ডায় ছত্রাক ও জীবাণুর বৃদ্ধি ধীর হয়। সপ্তাহে এক দিন বয়ামগুলো পরীক্ষা করুন।
বয়ামে আচার ফুলে উঠলে, ছাতা পড়লে বা রং বদলে গেলে তা দূষিত হওয়ার লক্ষণ; সে আচার খাওয়া উচিত নয়।
প্রতিবেদন: ওয়ারিশা, ডেইলি বাংলাদেশ
ছবি: Sonia Goyal Jaipur / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0); আমের আচার
সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ





মন্তব্য
(০)