দক্ষিণ আফ্রিকার তাজা পণ্যের বাজারে গত এক সপ্তাহে সবজির দাম ব্যাপক কমেছে, কিছু ফলের দাম বেড়েছে। এগ্রিকালচারাল মার্কেট ট্রেন্ডসের (এএমটি) সাপ্তাহিক গ্রাউন্ডরুলস বাজার প্রতিবেদনে কৃষি অর্থনীতিবিদ কনসে মোরাবা (Conce Moraba) বলেন, প্রশ্নটা শুধু বাজারে কত পণ্য আসছে তা নয়, দাম এতটা কমেছে কি না যাতে দ্বিধাগ্রস্ত ক্রেতারা ফেরেন।
আগের সপ্তাহে ৮২ র্যান্ডের ওপরে বিক্রি হওয়া আলুর ১০ কেজির বস্তার গড় দাম ২৩ শতাংশের বেশি কমে ৬৩.৪৬ র্যান্ডে নেমেছে। মোরাবা কারণ হিসেবে বলেন বেশি আমদানি, আগের মজুত, ক্রেতার দুর্বল ক্রয়ক্ষমতা ও গরমে মানের সমস্যা; মজুত বাড়তে থাকলে দাম আরও কমতে পারে।
টমেটোর পতন আরও বড়: সাত দিনে ৪০ শতাংশ কমে কেজি ৮.৯৭ র্যান্ড, গত বছরের চেয়ে ২৩ শতাংশ সস্তা, সরবরাহ বেড়েছে ১৮ শতাংশ। গরমে টমেটো দ্রুত পেকে রং বদলাচ্ছে। মোরাবা একটি কাঠামোগত সমস্যাও দেখান: নিম্নমানের মাল কিনে নেওয়া অনানুষ্ঠানিক পাইকারি ক্রেতা, যাদের স্থানীয়ভাবে 'সুইপার' বলা হয়, তাদের ঘাটতি।
অন্য সবজির দামও কমেছে। পেঁয়াজের ১০ কেজির বস্তা ১৩৯.৩৮ র্যান্ডে নেমেছে, ঘাটতি কাটছে বলে মনে হচ্ছে; মিষ্টি মরিচ ১৫ শতাংশ কমে কেজি ১২.৭০, শিম ৩২ শতাংশ কমে ১৫.৫৪, গাজর ৩ শতাংশ কমে ৩.৯০ র্যান্ড। রসুন কেজি ৯০.০৬ র্যান্ডে উঁচুতেই আছে।
সপ্তাহের বিজয়ী অ্যাভোকাডো, ২৪ শতাংশ বেড়ে কেজি ২০.০৭ র্যান্ড (ফুয়ের্তে প্রায় ৩৫, হ্যাস ১৪ র্যান্ড); বছরের শেষ দিকে সরবরাহ আরও কমার আভাস। কলা ৫ শতাংশ বেড়ে কেজি ৯.৮৯ র্যান্ড। তবে মোরাবা সতর্ক করেন, রপ্তানি বাড়লেই কৃষকের আয় বাড়ে না: অ্যাভোকাডো রপ্তানি বছরে প্রায় ১৬ শতাংশ বাড়লেও ইউরোপে অতিরিক্ত সরবরাহে মুনাফা কমেছে। নামিবিয়া অক্টোবরে দক্ষিণ আফ্রিকার গাজর ও পেঁয়াজ আমদানি আনুপাতিক হারে ৩০ শতাংশে সীমিত রেখেছে।
মোরাবার ভাষায়, 'ঘাটতিতে দাম উঠতে পারে, কিন্তু ধরে রাখতে লাগে সত্যিকারের চাহিদা।' প্রতিবেদনটি ফুড ফর মজানসির জন্য লিখেছেন রেলেনশিয়া সিমন্স।
ছবি: USDA (ক্যালিফোর্নিয়ার এসকনডিডোর অ্যাভোকাডো) / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: ফুড ফর মজানসি





মন্তব্য
(০)