সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৯%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

ফসল তোলার পর শস্যঘরের পাঁচ পরীক্ষা: মজুত, শুকানো, পরিবহন, নজরদারি ও নিরাপত্তা

ফসল তোলা শেষে শস্য মজুতের জায়গা, শুকানোর যন্ত্র, ওঠানো-নামানোর ব্যবস্থা, নজরদারি প্রযুক্তি ও শস্যাধারের নিরাপত্তা যাচাই করলে আগামী মৌসুমের শস্যের মান ও দাম দুটিই রক্ষা হয়।

ফসল তোলার পর শস্যঘরের পাঁচ পরীক্ষা: মজুত, শুকানো, পরিবহন, নজরদারি ও নিরাপত্তা
ফসল

ফসল তোলা শেষ হলে কৃষকেরা যখন পরের মৌসুমের পরিকল্পনা শুরু করেন, তখন শস্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা একবার খতিয়ে দেখলে শস্যের মান, দক্ষতা ও লাভ বাড়ানোর সুযোগ বেরিয়ে আসে। জিএসআইয়ের শস্য সংরক্ষণ বিশেষজ্ঞ র‍্যান্ডি শেলি (Randy Sheley)-র পরামর্শ নিয়ে লেখা এক নির্দেশিকায় পাঁচটি বিষয় যাচাইয়ের কথা বলেছে ফার্মস ডটকম।

প্রথমে মজুত সক্ষমতা। এ বছরের ফসলের জন্য যথেষ্ট জায়গা ছিল কি না দেখতে হবে, কারণ জায়গা কম হলে কাজ আটকে যায় এবং শস্য বিক্রির সময় বেছে নেওয়ার সুযোগ কমে। জমি বা ফলন বাড়লে আরও জায়গা লাগবে কি না, তাও ভাবতে হবে। শস্যাধার এমন জায়গায় হওয়া উচিত যেখানে যাতায়াত সহজ, বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ আছে এবং ভবিষ্যতে বাড়ানোর জায়গা আছে।

দ্বিতীয়ত শুকানোর সক্ষমতা। আবহাওয়া ও ফলনের কারণে ফসল তোলার সময় শুকানোর যন্ত্রের ওপর চাপ পড়ে; তাই যন্ত্রগুলো এ বছরের প্রয়োজন মিটিয়েছে কি না এবং ভবিষ্যতের বাড়তি চাহিদা সামলাতে পারবে কি না দেখতে হবে। বড় মজুত ব্যবস্থার জন্য সাধারণত বেশি ক্ষমতার শুকানোর যন্ত্র উপযোগী। তৃতীয়ত ওঠানো-নামানোর ব্যবস্থা: বেশি ফলনের বছরে ডাম্প পিট, এলিভেটর ও কনভেয়র বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে, আর সেগুলোর কাজ পর্যালোচনা করলে বোঝা যায় দ্রুত বা বড় যন্ত্র দেরি কমাবে কি না।

চতুর্থত প্রযুক্তি। আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থায় দূর থেকেই শস্যের তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও মজুতের পরিমাণ মাপা যায় এবং পাখা ও বায়ু চলাচল স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালানো যায়; কিছু সেন্সর শস্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হলে আগেই ধরতে পারে। উন্নত নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা অপ্রয়োজনীয় শুকানো এড়িয়ে শস্যের মান রক্ষা করে।

পঞ্চমত, এবং সবচেয়ে জরুরি, নিরাপত্তা। পড়ে যাওয়া, শস্যের ভেতরে আটকে পড়া ও যন্ত্রে আঘাত ঠেকাতে ফসল-পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণের সময়টাই শস্যাধার, মই, হাঁটার পথ ও যন্ত্রপাতি উন্নত করার উপযুক্ত সময়। সবচেয়ে কার্যকর উন্নতিগুলোর একটি হলো শ্রমিকদের শস্যাধারে ঢোকার প্রয়োজনই কমিয়ে আনা; ঠিকমতো শুকানো ও নজরদারি থাকলে সমস্যা আগেই ধরা পড়ে এবং শস্য শুকনো ও স্থির থাকে। শেলির ভাষায়, শস্যের মান ও লাভ বাড়াতে শস্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা কৃষকের সেরা বিনিয়োগগুলোর একটি।

ছবি: Wikideas1 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)

সূত্র: ফার্মস ডটকম

Farms.comসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

পানছড়িতে প্রথমবার কালো ধান, ১২ শতকে চার মণ ফলনের আশা তরুণ এনামুলের

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে পরীক্ষামূলকভাবে ১২ শতক জমিতে ব্ল্যাক রাইস চাষ করেছেন তরুণ উদ্যোক্তা এনামুল হক; বগুড়া থেকে কেজি ৫০০ টাকায় বীজধান এনেছিলেন, এখন শিষ বের হচ্ছে।

সমকাল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

সুখপাড়ার পানের বরজে বছরের ১১ মাস ফলন, বিঘায় দেড় লাখ টাকা আয়

যশোরের অভয়নগরের সুখপাড়ায় পৌষ মাস বাদে বছরের ১১ মাসই বরজ থেকে পান তোলেন চাষিরা; খরচ বাদে বিঘাপ্রতি আয় প্রায় দেড় লাখ টাকা। প্রথম আলোর আলোকচিত্রী সাদ্দাম হোসেনের ছবিতে বরজের দিনরাত্রি।

প্রথম আলো১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

চরভদ্রাসনে ৬০ কৃষক শিখলেন মালচিং, পলিহাউস আর স্যান্ডবার পদ্ধতিতে চাষ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৬০ কৃষক-কৃষাণিকে অফ-সিজন তরমুজ, পলিহাউসে সবজি, ভার্মি কম্পোস্ট ও পোকা দমনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

এগ্রিকেয়ার২৪১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)