যুক্তরাষ্ট্রের কীটনাশক নীতিতে 'মেক আমেরিকা হেলদি অ্যাগেইন' (মাহা) আন্দোলনের প্রভাব থাকবে, তাই কৃষি খাতকে নিজের পক্ষে কথা বলে যেতে হবে। ক্রপলাইফ ও ক্রপলাইফ আয়রন ম্যাগাজিনের সম্পাদক এরিক সফিলিগয় (Eric Sfiligoj) এক কলামে এ যুক্তি দিয়েছেন। মতামত লেখকের নিজস্ব।
শুরুতে তিনি জুনে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ৭-২ রায়ের কথা বলেন, যাতে বলা হয় গ্লাইফোসেটের জন্য কেন্দ্রীয় সতর্কতা লেবেলই যথেষ্ট, অঙ্গরাজ্যের বাড়তি সতর্কবার্তা লাগবে না; অনেক মামলার রায়ে এই বাড়তি সতর্কবার্তাই মূল বিষয় ছিল। মাদারস অ্যাক্রস আমেরিকার মতো মাহা গোষ্ঠী রায়টি উল্টাতে কংগ্রেসের কাছে দাবি জানায়। এক মাসের মধ্যে প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য আনা পলিনা লুনা (Anna Paulina Luna) কীটনাশক আইন (ফিফরা) সংশোধনের বিল আনেন, যাতে অঙ্গরাজ্যের 'সতর্ক না করার' মামলা টিকে থাকে এবং কোম্পানি ইপিএর নিবন্ধন বা লেবেল অনুমোদনকে পুরো প্রতিরক্ষা হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে।
এগ্রিকালচারাল রিটেইলার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী ড্যারেন কপক (Daren Coppock) বলেন, এই ঘটনাপ্রবাহই দেখায় মাহার প্রভাব কতটা। তাঁর ভাষায়, "অনেকে জিজ্ঞেস করেন মাহা ক্ষণিকের নাকি দীর্ঘমেয়াদি। আমার মনে হয় এটা থাকবে, আর আমাদের শিল্পকে এর মোকাবিলা করে যেতে হবে।"
সফিলিগয় লিখেছেন, মাহার বেশির ভাগ পৃষ্ঠপোষক ছোট হলেও সরকারি নথি অনুযায়ী আইজনার ফাউন্ডেশন ও ফিডেলিটি ইনভেস্টমেন্টস সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মাদারস অ্যাক্রস আমেরিকাকে প্রায় ৫ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছে।
কপক বিজ্ঞানের ওপর দাঁড়িয়ে নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার এবং কীটনাশক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা মানুষ ও খাদ্য সরবরাহ দুটিকেই রক্ষা করে, সেই যুক্তি তুলে ধরার আহ্বান জানান। এলিয়াসওয়াকারের প্রধান নির্বাহী লরেন ওয়াকার (Lorren Walker) জুলাইয়ের এক সম্মেলনে বলেন, প্রশাসন চাপে সাড়া দেয়, তাই বিক্রেতা ও কৃষকদের যুক্ত হতে হবে। সফিলিগয়ও একমত: চুপ থাকা এখন বাস্তবসম্মত নীতি নয়।
ছবি: Boasiedu / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: CropLife





মন্তব্য
(০)