সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১২ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ফোনে নিজের ভাষায় প্রশ্ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) উত্তর: ক্ষুদ্র কৃষকের কাজে আসছে এআই

টোল-ফ্রি নম্বরে কণ্ঠস্বরে চলা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরামর্শসেবা ভারতের লাখো কৃষকের কাছে পৌঁছেছে; বড় নয়, ফসল ও অঞ্চলভিত্তিক ছোট ভাষা মডেলই কৃষকের বেশি কাজে আসবে বলে যুক্তি দিয়েছেন বিনিয়োগকারী হেমেন্দ্র মাথুর।

ফোনে নিজের ভাষায় প্রশ্ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) উত্তর: ক্ষুদ্র কৃষকের কাজে আসছে এআই
এগ্রোটেক

মাটি পরীক্ষা, বালাইয়ের পূর্বাভাস, আবহাওয়া ও দামের পরামর্শ এবং ফসলের মান যাচাইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এখনই ভারতের ক্ষুদ্র কৃষকের কাজে আসছে, আর কৃষকের ডিজিটাল দক্ষতা এখন আর প্রধান বাধা নয়। এক স্বাক্ষরিত কলামে এ যুক্তি দিয়েছেন ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট ও থিংকঅ্যাগের সহপ্রতিষ্ঠাতা হেমেন্দ্র মাথুর (Hemendra Mathur)। মতামত লেখকের নিজস্ব।

তাঁর প্রমাণ কণ্ঠস্বর। নাগপুর জেলায় গত এক বছরে এক লাখের বেশি কৃষক ফোনে নিজের উপভাষায় এআই সেবাকে প্রশ্ন করেছেন, মহারাষ্ট্রের মহাভিস্তার (MahaVISTAAR) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে, যা ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নাগাদ প্রায় ৩০ লাখ কৃষকের কাছে পৌঁছেছে। পিএম-কিষাণ প্রকল্পের এআই সহকারী কিষাণ ই-মিত্র ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ১১টি ভারতীয় ভাষায় ৯৩ লাখের বেশি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে। ২০২৬ সালে দেশজুড়ে চালু হওয়া ভারত-ভিস্তার টোল-ফ্রি ১৫৫২৬১ নম্বরে কল নেয়, ফলে সাধারণ ফোনেও ডেটা প্যাক ছাড়া পরামর্শ পাওয়া যায়।

মাথুরের মতে দুর্বলতা কথোপকথনে নয়, বিষয়বস্তু, বাছাই ও প্রেক্ষাপটে: উদ্যোক্তাদের হিসাবে কৃষকের এক-চতুর্থাংশ থেকে এক-তৃতীয়াংশ প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলে না, আর একটি ভুল স্প্রে-পরামর্শ পুরো মৌসুম নষ্ট করতে পারে। তিনি বিহারের কৃষি পরামর্শের প্রশ্ন নিয়ে ২০২৬ সালের এক গবেষণার কথা বলেন, যেখানে প্রশিক্ষিত একটি ছোট মডেল বিশেষজ্ঞ-যাচাই করা তথ্য মনে রাখার হার ২৬.২ থেকে ৫০.৩ শতাংশে তুলেছে, জিপিটি-৪-এর প্রায় ১৫ শতাংশ খরচে; পরীক্ষিত সবচেয়ে বড় অপ্রশিক্ষিত মডেল পেয়েছে ২৩.৮ শতাংশ।

তাঁর চার সুপারিশ: বড় নয়, ফসল ও অঞ্চলভিত্তিক ছোট ভাষা মডেল তৈরি করা, যাতে প্রতিটি প্রশ্নের খরচ এক রুপির কম থাকে এবং ইন্টারনেট ছাড়াও চলে; এআইকে অ্যাগ্রিস্ট্যাকের কৃষক আইডি ও জমির নিবন্ধনের মতো সরকারি ডিজিটাল অবকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করা, যাতে পরামর্শ কেনাবেচা বা ঋণে গিয়ে শেষ হয়; কৃষিতে এআইয়ের জন্য এখনই নিয়ম করা, যেমন কৃষকের বোধগম্য সম্মতি এবং ক্ষতিকর পরামর্শের দায়; আর আইসিএআরের চাষপদ্ধতি থেকে মান্ডির দামের তথ্য পর্যন্ত সরকারি কৃষি তথ্য উন্মুক্ত করা।

তিনি জানান, ৩ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত অ্যাগ্রিস্ট্যাকে ১০.৩১ কোটির বেশি কৃষক আইডি তৈরি হয়েছে এবং ২০২৫-২৬ রবি মৌসুমে ডিজিটাল ফসল জরিপে ৬৪৮ জেলার ৩১.৩ কোটির বেশি জমি এসেছে। তবে পরামর্শের জন্য নেওয়া খামারের তথ্য কৃষকের আলাদা সম্মতি ছাড়া যেন ঋণের স্কোর বা বিমার দাম ঠিক করার কাজে না লাগে, সে বিষয়ে সতর্ক করেছেন তিনি।

দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষুদ্র কৃষকের জন্য কলামের মূল কথাটি বাস্তব: কৃষকের নিজের ভাষায় ফোনে উত্তর দেওয়া পরামর্শদাতা আরেকটি স্মার্টফোন অ্যাপের চেয়ে বেশি কৃষকের কাছে পৌঁছাতে পারে।

ছবি: Neil Palmer (CIAT) / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)

সূত্র: Global Agriculture

গ্লোবাল এগ্রিকালচারসূত্র

এগ্রোটেক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

দিনের আলোর মতো এলইডি প্রযুক্তিতে ব্রয়লার খামারে প্রতি ব্যাচে ৮-১২ টন খাদ্য সাশ্রয়

৩৭ দিনের ব্যাচজুড়ে রং ও উজ্জ্বলতা বদলানো আলোয় যুক্তরাজ্যের শ্রপশায়ারের আইইসি পোলট্রির চারটি ব্রয়লার ঘরে খাদ্য রূপান্তর হার ১.৫ থেকে ১.৪৭-এ নেমেছে, প্রতি ব্যাচে গড় সাশ্রয় ৩,৫৮০ পাউন্ড।

Farmers Weekly১৩ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

জিন সম্পাদনার গবেষণা: ইন্টারফেরন টাউ ছাড়াও গাভীর গর্ভধারণ সম্ভব

জার্মানির এলএমইউ মিউনিখের গবেষকেরা ক্রিসপার-ক্যাস৯ দিয়ে গরুর ভ্রূণ থেকে ইন্টারফেরন টাউ জিন সরিয়ে দেখেছেন, গর্ভধারণ তবু হয়; ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুটি সুস্থ বকনা বাছুর জন্মেছে, যা এই সংকেতকে অপরিহার্য মনে করার ধারণা ভেঙে দিয়েছে।

Farms.com১৩ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

মাঠেই পাঁচটি কৃষি ড্রোন চার্জ ও রিফিল করবে ট্রেলার, পরীক্ষা চালাচ্ছে জেনাড্রোন

জেনাটেকের ড্রোন শাখা অ্যারিজোনায় এমন একটি চলমান ট্রেলার পরীক্ষা করছে, যা আইকিউ অক্টো কৃষি ড্রোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওড়ায়, নামায়, ব্যাটারি চার্জ করে ও স্প্রের দ্রবণ বা বীজ ভরে দেয়, যাতে একই দল দিনে বেশি জমিতে কাজ করতে পারে।

Farms.com১৩ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)