খামারের বাতাসে থাকা সাধারণ দূষকের সংস্পর্শে এক সপ্তাহেই স্ত্রী প্রাণী মডেলের ফুসফুসে দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা গেছে। কানাডার ইউনিভার্সিটি অব সাসকাচুয়ানের (ইউস্যাস্ক) গবেষকেরা সায়েন্টিফিক রিপোর্টস সাময়িকীতে এই ফলাফল প্রকাশ করেছেন; খামারের বায়ুবাহিত দূষণ নারীদের ওপর কী প্রভাব ফেলে, তা নিয়ে এটি প্রথম দিকের গবেষণাগুলোর একটি।
কৃষকেরা প্রতিদিন ধুলা, ব্যাকটেরিয়া থেকে আসা এন্ডোটক্সিন নামের যৌগ এবং ফসলের রাসায়নিক শ্বাসের সঙ্গে নেন। গবেষক দলটি খামারের সাধারণ এক কর্মসপ্তাহের মতো করে এন্ডোটক্সিন ও বহুল ব্যবহৃত আগাছানাশক গ্লাইফোসেটের সংস্পর্শ তৈরি করে। পাঁচ দিন পর ফুসফুসে তরল জমা এবং অক্সিজেন বিনিময়ের ক্ষুদ্র বায়ুথলি (অ্যালভিওলাই) পুরু হয়ে যাওয়া দেখা যায়; দুটি একসঙ্গে থাকলে প্রভাব যেকোনো একটির চেয়ে বেশি ছিল।
ইউস্যাস্কের ওয়েস্টার্ন কলেজ অব ভেটেরিনারি মেডিসিনের সহযোগী অধ্যাপক গুরপ্রীত আউলাখ বলেন, পাঁচ দিন খুব কম সময়, তবু সূক্ষ্ম পরিবর্তন ধরা পড়েছে। গবেষকেরা কানাডিয়ান লাইট সোর্স সিনক্রোট্রনের উচ্চ রেজল্যুশনের ইমেজিং ব্যবহার করেছেন, যা আগের পদ্ধতিতে ধরা না পড়া পরিবর্তনও দেখিয়েছে, বলেন ইউস্যাস্ক কলেজ অব মেডিসিনের অধ্যাপক ডিন চ্যাপম্যান।
ফলাফলটি প্রাণী মডেলের; পরের গবেষণায় দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শের প্রভাব এবং পুরুষ ও নারীর ফুসফুসের প্রতিক্রিয়ার পার্থক্য দেখা হবে। কানাডার কৃষকদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নারী, তাই আরও গবেষণা দরকার বলে মনে করেন গবেষকেরা।
তাঁদের বাস্তব পরামর্শ সুরক্ষা সরঞ্জাম। ইউস্যাস্কের কানাডিয়ান সেন্টার ফর রুরাল অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল হেলথের পরিচালক শেলি কিরিচুক বলেন, শ্বাসের মাধ্যমে দূষকের সংস্পর্শের সময় এন৯৫ মাস্ক পরুন।
ছবি: Robert Ashworth / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: Farms.com




মন্তব্য
(০)