এগ্রোবিজকম্বোডিয়ার নারী সমবায় নেত্রী সেত হাচ পেলেন এফএওর কৃষি খাদ্য ব্যবস্থার নায়িকা সম্মাননা
সিয়েম রিয়েপের যে কৃষি সমবায়ের সদস্য তাঁর নেতৃত্বে ৮২ থেকে ৫৪০ জনে পৌঁছেছে, তার সভাপতি রোমে বিশ্ব খাদ্য ফোরামে সম্মাননা গ্রহণ করেন।
এগ্রোবিজসিয়েম রিয়েপের যে কৃষি সমবায়ের সদস্য তাঁর নেতৃত্বে ৮২ থেকে ৫৪০ জনে পৌঁছেছে, তার সভাপতি রোমে বিশ্ব খাদ্য ফোরামে সম্মাননা গ্রহণ করেন।
শাকসবজিপ্রায় ২৩৫টি সুপারশপে সবজি পাঠানো ভেজিসের প্রতিষ্ঠাতা সোফি লিতশানি মুসাবেনি নতুন খামারে উৎপাদন শুরুর জন্য ১ লাখ র্যান্ড পুরস্কার পেয়েছেন; নজর এখন জার্মানিতে বেবি ম্যারো রপ্তানিতে।
ফসলভিয়েতনামের কা মাউ প্রদেশে ধান-চিংড়ি চাষিদের নির্ভুল পুষ্টি ব্যবস্থাপনার প্রশিক্ষণ দিয়েছে ইরি ও সিআইপি; নারী ও খেমার কৃষকদের আলাদা দলে বসিয়ে জানা হয়েছে নতুন প্রযুক্তি নিতে তাদের বাধা কোথায়।
মতামতগবেষক মাহা মির্জা ও নারী অধিকারকর্মী মারজিয়া প্রভা প্রথম আলোয় এক কলামে লিখেছেন, বিবিএসের হিসাবে কৃষিতে নারী এক কোটি ৭০ লাখ আর পুরুষ এক কোটি ৩০ লাখ, অথচ বীজ, ফিড, ঋণ ও বাণিজ্যচুক্তির ধাক্কা সবার আগে সামলান গ্রামের নারী উৎপাদকেরাই।
এগ্রোবিজদুটি প্রকল্পে এফএও দেবে ৪ লাখ ৪৭ হাজার মার্কিন ডলার: কীটনাশকের জীবনচক্র ব্যবস্থাপনায় ২ লাখ আর গ্রামীণ নারীদের পরিবেশবান্ধব ক্ষুদ্র ব্যবসায় ২ লাখ ৪৭ হাজার; প্রকল্প দলিল বলছে দেশের ৩০ শতাংশের বেশি সবজিতে অতিরিক্ত কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ।
নারী উদ্যোক্তা কৌশলের আওতায় অ্যাগ্রিকালত্রিস দ্যু কেবেককে আরও ৬ লাখ ২৮ হাজার ৫০১ ডলার দিচ্ছে কানাডা সরকার, কৃষি ও বনখাতের নারীদের পরামর্শ, প্রশিক্ষণ, অর্থায়ন ও যোগাযোগ বাড়াতে।
এগ্রোবিজবিশ্বব্যাংক-পরিচালিত জিএএফএসপির প্রধান শোভা শেঠি বলছেন, কতজন নারী ডিজিটাল টুল পেলেন সেই গোনা নয়, ঋণ, কিস্তি আর লেনদেনের পথ নারীর উপযোগী হলেই এআইয়ের সুফল মেলে।
বিশ্বসিজিআইএআরের জেন্ডার অ্যাক্সিলারেটরের প্রতিবেদন বলছে, জ্বালানি ও সারের সংকট, চরম আবহাওয়া আর বাণিজ্য বিঘ্নে নিম্ন আয়ের দেশের নারীরা আরও পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে। ২০৫০ সালের মধ্যে বৈষম্য ঘোচাতে প্রতিবেদনে কিছু পদক্ষেপের সুপারিশ করা হয়েছে।
ফসলএকসময় দিনমজুরি করা, পরিবারের ১২ একর জমি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তের অধিকার না থাকা মহারাষ্ট্রের পাচোদ গ্রামের সুনীতা নেহারে এখন খামার চালান; মাটি ও পানি সংরক্ষণে একরপ্রতি তুলার ফলন প্রায় ১ থেকে বাড়িয়েছেন ৭ দশমিক ১৪ কুইন্টালে।
৬০৯টি মনোনয়ন থেকে কৃষি-খাদ্যব্যবস্থা ও গ্রামীণ উন্নয়নের ১০০ জন নারী নায়ককে সম্মাননা দিয়েছে এফএও। তালিকার শততম নাম চীনের ইন ইয়ুচেন, যিনি মরুভূমির প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমি পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রেখেছেন।
স্বাস্থ্যকানাডার ইউনিভার্সিটি অব সাসকাচুয়ানের গবেষকেরা স্ত্রী প্রাণী মডেলে দেখেছেন, খামারের এন্ডোটক্সিন ও আগাছানাশক গ্লাইফোসেটে এক কর্মসপ্তাহের সংস্পর্শে ফুসফুসের বায়ুথলি পুরু হয় ও তরল জমে, দুটি একসঙ্গে থাকলে বেশি; তাঁরা খামারকর্মীদের এন৯৫ মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছেন।
এগ্রোবিজস্টেট অব দ্য এফপিও সেক্টর ২০২৬ প্রতিবেদন বলছে, বেশির ভাগ কৃষক উৎপাদক কোম্পানির মূলধন কম, নারী নেতৃত্বাধীন সংগঠন ঋণ কম পায়; বাতিল হওয়া কর ছাড় ফেরানো ও ফেডারেশন গড়ার সুপারিশ।
এগ্রোটেকফ্রন্টিয়ার্স ইন সাসটেইনেবল ফুড সিস্টেমসে প্রকাশিত এক গবেষণা বলছে, ঘানার আশান্তি ও বোনো অঞ্চলে তরুণ পুরুষ কৃষকেরা স্মার্টফোন ও অনলাইন পরামর্শ বেশি পান, আর বয়স্ক নারীরা নির্ভর করেন সাধারণ ফোন, রেডিও আর কণ্ঠভিত্তিক সেবায়।