ইউরোপীয় ইউনিয়ন কৃষি বিধি সহজ করার কথা বলছে, কিন্তু তার মূল্যায়ন হবে কৃষক দরকারি উপকরণ পান কি না তা দিয়ে। অ্যাগ্রিবিজনেস গ্লোবালে প্রকাশিত কলামে এমনটাই লিখেছেন পেটেন্টোত্তর শস্য সুরক্ষা পণ্য প্রস্তুতকারকদের সংগঠন ইউরোপিয়ান ক্রপ কেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (ইসিসিএ) সভাপতি মনিকা তেইশেইরা (Mónica Teixeira)। মতামত লেখকের নিজস্ব।
তাঁর আলোচনার বিষয় ইউরোপীয় কমিশনের ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রস্তাবিত খাদ্য ও পশুখাদ্য নিরাপত্তা সরলীকরণ প্যাকেজ। তাঁর যুক্তি, পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হওয়া পণ্যের ক্ষেত্রে সদস্য দেশগুলো তথ্য সুরক্ষা বিধি ভিন্নভাবে প্রয়োগ করে, ফলে অনিশ্চয়তা বাড়ে, একই কাজ বারবার হয় এবং সুরক্ষার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বাজারে আসতে দেরি হয়। এতে প্রতিযোগিতা কমে, কৃষকের পছন্দ কমে, খরচ বাড়ে।
জলবায়ু পরিবর্তনে পোকামাকড় ও রোগের চাপ অনিশ্চিত হয়ে উঠছে, আর নতুন রাসায়নিক বা জৈব বিকল্প আসার চেয়ে দ্রুত পুরোনো সক্রিয় উপাদান বাতিল হচ্ছে। প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠেকাতে কৃষককে ভিন্ন কার্যপদ্ধতির পণ্য পালা করে ব্যবহার করতে হয়; বিকল্প কমলে সবচেয়ে বিপদে পড়ে কম চাষ হওয়া ও বিশেষ ফসল।
চূড়ান্ত আইনে তিনি তিনটি বিষয় চান: সক্রিয় উপাদান অনুমোদন বা নবায়নের ইইউ বিধির সঙ্গে যুক্ত তথ্য সুরক্ষার একক ইউরোপব্যাপী সূচনা তারিখ; নবায়নের তথ্য পুনর্ব্যবহারে যেন আইনপ্রণেতাদের ইচ্ছার চেয়ে লম্বা সুরক্ষা তৈরি না হয় সেই রক্ষাকবচ; এবং অস্থায়ী অনুমোদনেও সুরক্ষার মেয়াদ গণনা শুরু হবে, এই স্পষ্ট বিধান। সঙ্গে তথ্য সুরক্ষার মেয়াদের একটি কেন্দ্রীয় ইইউ ডেটাবেস।
২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে কাউন্সিলের সভাপতি আয়ারল্যান্ড সরলীকরণ ও একক বাজারকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় তিনি সুযোগ দেখছেন। তাঁর মতে সাফল্য বোঝা যাবে অনুমোদনের অনুমেয় পথ, সুরক্ষার মেয়াদ শেষে ন্যায্য প্রতিযোগিতা, সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামঞ্জস্য আর কার্যকর সমাধানের বড় পরিসর দেখে, বৈজ্ঞানিক সুরক্ষা দুর্বল না করেই।
ছবি: joost j. bakker / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: AgriBusiness Global





মন্তব্য
(০)