নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ২৩ অক্টোবর শুরু হচ্ছে ভারত আন্তর্জাতিক চাল সম্মেলন (বিআইআরসি) ২০২৬। নিবন্ধন হয়েছে ৩২ হাজার ৪৬৭টি, তার মধ্যে ১৫৩টি দেশের ৪ হাজার ৮৫৬ জন ক্রেতা, জানিয়েছে রুরাল ভয়েস। টানা দ্বিতীয় বছর প্রদর্শনীর জায়গা পুরো বিক্রি হয়ে গেছে।
২৫ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনে রপ্তানিকারক, আমদানিকারক, চালকলমালিক, নীতিনির্ধারক ও খাদ্য কোম্পানি নতুন বাজার খুঁজবেন, ২০২৭ সালের দামের সম্ভাবনা যাচাই করবেন এবং চাল থেকে বেশি আয়ের পথ দেখবেন। সম্মেলনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আগেই ২ হাজার ৩৮টি ব্যবসায়িক বৈঠক ঠিক হয়েছে, যা সমন্বয় করবে ইওয়াই; আলোচনা হবে চাহিদা, জাত, মানের শর্ত ও সম্ভাব্য অর্ডার নিয়ে। থাকছেন ৬৫ জন বক্তা, নয়টি জ্ঞান অধিবেশন আর ভারতের ২৩টি রাজ্যের অংশগ্রহণ।
উদ্বোধনী অধিবেশনের শিরোনাম, ২০২৭ সালের বৈশ্বিক চাহিদা ও জোগান: দামে ধস নাকি নতুন ঊর্ধ্বগতি? বাসমতি ও অ-বাসমতি চালের দাম কী কারণে বাড়তে, স্থির থাকতে বা কমতে পারে, তা দেখা হবে; ভারতীয় চাল রপ্তানিকারক ফেডারেশন (আইআরইএফ) নিজেদের মূল্যায়ন ও বাজার নজরতালিকা দেবে। ২০২৭ সালে নজর রাখার মতো শীর্ষ ১০টি বাজার নিয়ে আরেক অধিবেশনে চাহিদা, প্রতিযোগিতা, পণ্যের উপযোগিতা, খরচ ও পরিশোধের ঝুঁকি ধরে বাজারগুলোর মূল্যায়ন হবে।
আইআরইএফের জাতীয় সহসভাপতি দেব গর্গ বলেন, ভারতের চাল বাণিজ্যের পরের অধ্যায় হতে হবে বেশি মূল্য তৈরির, শুধু বেশি টন বিক্রির নয়। অন্যান্য অধিবেশনে থাকছে ফসল জরিপ ও দামের পূর্বাভাস, কাগজপত্র, বিমা ও ঋণ, জাহাজীকরণ, মান ও সনদ, টেকসই উৎপাদন, চালকলের খরচ এবং মূল্য সংযোজিত পণ্য।
২৫ অক্টোবর সাধারণ মানুষের জন্য রাইস ফেস্টিভ্যাল দিয়ে সম্মেলন শেষ হবে, থাকবে রাঁধুনিদের প্রতিযোগিতা ও খাবারের প্রদর্শনী। প্রতিবেদনটি করেছেন অজিত সিং।
ছবি: Tanta.dpk / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: Rural Voice





মন্তব্য
(০)