নিউজিল্যান্ডের দুগ্ধখামারে দুধ ছাড়ানোর (ড্রাই-অফ) সময় সংক্রমণ থাকুক বা না থাকুক, পালের সব গাভীকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কঠিন হতে পারে। দেশটির ভেটেরিনারি কাউন্সিলের হালনাগাদ নির্দেশনায় প্রতিটি গাভীর জন্য আলাদাভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ড্রাই কাউ থেরাপির যৌক্তিকতা দেখাতে জোর দেওয়া হয়েছে।
এমএসডি অ্যানিমেল হেলথের ভেটেরিনারি কারিগরি উপদেষ্টা ম্যাট বাকলি (Matt Buckley) বলেন, বাছাই করে চিকিৎসা নতুন নয়; নতুন হলো এর পেছনের জোর। এখন ভেটেরিনারি চিকিৎসকেরা জোর দিয়ে বলতে পারবেন, এই গাভীর অ্যান্টিবায়োটিক দরকার, তার প্রমাণ দেখান।
দেশটির গবেষণা বলছে, বেশির ভাগ পালে সব গাভীর চিকিৎসার দরকার নেই। ডেইরিএনজেডের বিশ্লেষণে, পালের মোট দুধে সোমাটিক কোষের সংখ্যা মিলিলিটারে আড়াই লাখের বেশি এবং মৌসুমের শেষ তিন মাসে ৫০ হাজারের বেশি বাড়লেই কেবল সবার চিকিৎসায় লাভ; ৫ শতাংশের কম পাল এই শর্তে পড়ে। বাকিদের জন্য পরামর্শ, শুধু যোগ্য গাভীকে অ্যান্টিবায়োটিক, আর সব গাভীর বাঁটে অভ্যন্তরীণ সিল্যান্ট, যাতে বিশ্রামকালে নতুন সংক্রমণ না হয়।
লক্ষ্য দরকারি চিকিৎসা বন্ধ করা নয়, প্রমাণ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক এড়ানো, যা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা জীবাণুর ওষুধ প্রতিরোধ ঠেকানোর বড় লড়াইয়ের অংশ। বাকলির ভাষায়, ঠিক গাভীর জন্য, ঠিক সময়ে, ঠিক চিকিৎসা। ডেইরিএনজেড জানায়, অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে নিউজিল্যান্ডের খামারিরা এমনিতেই বিশ্বে সবচেয়ে কম ব্যবহারকারীদের মধ্যে।
আসল চ্যালেঞ্জ গোয়ালঘরে: প্রতিটি গাভীর ম্যাস্টাইটিসের রেকর্ড ও সোমাটিক কোষের তথ্য দেখে খামারি ও চিকিৎসককে আলাদা সিদ্ধান্ত নিতে হবে; বাকলি বলেন, এই সিদ্ধান্ত খামারির জন্য বাস্তবসম্মত করতে হবে, এবং নতুন প্রযুক্তিও আসছে। প্রতিবেদনটি রুরাল নিউজ গ্রুপের নিজস্ব প্রতিবেদকদের।
ছবি: Dave Young (নিউজিল্যান্ডের দুগ্ধ গাভী) / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: Rural News Group





মন্তব্য
(০)