শিশুর অতিরিক্ত ক্লান্তি, শরীর ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া বা হঠাৎ কালশিটে দাগকে অনেক অভিভাবক সাধারণ অসুখ ভাবেন। কিছু ক্ষেত্রে এগুলো ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণও হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য ধরে বাংলা নিউজ ২৪-এর নিউজ ডেস্ক এ নিয়ে প্রতিবেদন করেছে।
ডব্লিউএইচওর হিসাবে বিশ্বে প্রতিবছর শূন্য থেকে ১৯ বছর বয়সী আনুমানিক ৪ লাখ শিশু-কিশোর ক্যানসারে আক্রান্ত হয়। শিশুদের মধ্যে লিউকেমিয়া বা রক্তের ক্যানসার ও মস্তিষ্কের টিউমারসহ কয়েক ধরনের ক্যানসার বেশি দেখা যায়।
শিশু ক্যানসার বিশেষজ্ঞদের মতে যেসব লক্ষণে বিশেষ নজর দরকার: অস্বাভাবিক বা অতিরিক্ত ক্লান্তি; শরীর খুব ফ্যাকাশে হওয়া; কারণ ছাড়া বারবার কালশিটে পড়া; শরীরে গুটি বা ফোলা যা ক্রমে বড় হয়; দীর্ঘদিনের জ্বর; বারবার বা তীব্র মাথাব্যথা; হাড়ে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা; এবং কারণ ছাড়া ওজন কমে যাওয়া।
শুরুর অনেক লক্ষণ সাধারণ অসুখের মতো, তাই একটি লক্ষণ দেখেই আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। তবে কয়েকটি লক্ষণ একসঙ্গে দেখা দিলে, দীর্ঘদিন থাকলে বা ধীরে ধীরে খারাপ হলে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের কাছে নেওয়াই নিরাপদ বলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ।
ডব্লিউএইচও বলছে, শিশুদের ক্যানসার সাধারণত আগে থেকে প্রতিরোধ বা নিয়মিত পরীক্ষায় শনাক্ত করা কঠিন; তাই দ্রুত লক্ষণ চেনা, সঠিক রোগনির্ণয় ও দ্রুত চিকিৎসাই সবচেয়ে জরুরি। উচ্চ আয়ের দেশে ক্যানসারে আক্রান্ত ৮০ শতাংশের বেশি শিশু সুস্থ হয়, অনেক নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে এ হার ৩০ শতাংশের নিচে। ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে শিশু ক্যানসারে বেঁচে থাকার হার অন্তত ৬০ শতাংশে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সংস্থাটি।
সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪



মন্তব্য
(০)