পশুপালনে যুক্ত মানুষের জন্য কিউ ফিভার পরীক্ষা ও টিকায় লক্ষ্যভিত্তিক ভর্তুকি চেয়েছে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার প্রাণিসম্পদ খাতের শীর্ষ সংগঠন লাইভস্টক এসএ। রাজ্যের স্বাস্থ্য ও সুস্থতামন্ত্রী ব্লেয়ার বয়ারকে চিঠি দিয়ে খামারিদের জন্য একটি ভর্তুকি কর্মসূচির আবেদন করেছে সংগঠনটি।
প্রধান নির্বাহী ট্রাভিস টোবিন বলেন, 'এটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ, কিন্তু প্রতিদিনের কাজে যাঁরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন, তাঁদের অনেকের জন্য খরচই বাধা।' তাঁর মতে কিউ ফিভারে কারও কারও দীর্ঘ ক্লান্তি হয় এবং অনেক দিন কাজে যেতে পারেন না, অথচ কৃষিতে এমনিতেই শ্রমিকের ঘাটতি চলছে।
কিউ ফিভার কক্সিয়েলা বার্নেটি (Coxiella burnetii) নামের ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক রোগ। মূলত ভেড়া, গরু ও ছাগলের সরাসরি বা পরোক্ষ সংস্পর্শে মানুষ আক্রান্ত হয়, তাই গ্রামাঞ্চলে ঝুঁকি বেশি। বেশির ভাগ সংক্রমণ হয় বসন্ত ও গ্রীষ্মে।
দূষিত ধুলা বা বাতাসের কণা শ্বাসে নিলে, কাটা ত্বকে পশুজাত পণ্য বা দূষিত উপাদান লাগলে কিংবা ত্বক ভেদ করা আঘাতে সংক্রমণ হতে পারে; আক্রান্ত পশুর অপাস্তুরিত দুধ পানেও ঝুঁকি থাকতে পারে। খামারি, ভেড়ার লোম কাটার শ্রমিক, পশু পরিবহনকারী, পশুচিকিৎসক ও কসাইখানার কর্মীরা সবচেয়ে ঝুঁকিতে।
এসএ হেলথের তথ্যে ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে সাতজন আক্রান্ত হয়েছেন; ২০২৫ সালে ছিলেন ৩০ জন, ২০২৪ সালে ২৩ জন। রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়া নিয়ে সেফওয়ার্ক এসএ উদ্বেগ জানানোর পর এই দাবি এল।
সূত্র: Beef Central



মন্তব্য
(০)