গ্রেট ব্রিটেনে আফ্রিকান সোয়াইন ফিভার (এএসএফ) দেখা দিলে অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়বে, তার হালনাগাদ মূল্যায়নের জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান লন্ডন ইকোনমিকসকে নিয়োগ দিয়েছে যুক্তরাজ্যের কৃষি ও উদ্যানতত্ত্ব উন্নয়ন বোর্ড (এএইচডিবি)। লক্ষ্য শূকর খাতের প্রস্তুতি জোরদার করা এবং সরকার, শিল্প ও বাণিজ্য অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার জন্য তথ্যভিত্তি তৈরি করা।
প্রকল্পের নেতৃত্বে আছেন যুক্তরাজ্যের কৃষি মন্ত্রণালয় ডেফরার সাবেক বিশ্লেষণ পরিচালক ও প্রধান অর্থনীতিবিদ জন কার্নো (John Curnow), সঙ্গে পারব্রাইট ইনস্টিটিউটের এএসএফ বিশেষজ্ঞ ড. ক্রিস নেদারটন (Chris Netherton)। ২০১৮ ও ২০২০ সালের মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে হলেও এবার রোগ ও বাণিজ্যের বদলে যাওয়া পরিস্থিতি এবং স্পেনের সাম্প্রতিক এএসএফ অভিজ্ঞতার শিক্ষা যুক্ত হবে।
লন্ডন ইকোনমিকস নানা পরিস্থিতিতে সরবরাহ শৃঙ্খলজুড়ে ক্ষতির হিসাব করবে, শুধু বুনো শূকরে সংক্রমণ থেকে শুরু করে একাধিক অঞ্চলের খামারের শূকরে ছড়িয়ে পড়া পর্যন্ত। বাণিজ্য অংশীদারেরা অঞ্চলভিত্তিক বিধিনিষেধ (রিজিওনালাইজেশন) মানলে আর না মানলে কী হয়, বুনো আর খামারের শূকরে সংক্রমণের প্রভাবে পার্থক্য কী, এবং প্রাদুর্ভাবের সময় রোগমুক্ত প্রত্যয়িত ইউনিটকে ব্যবসা চালাতে দেওয়া (কম্পার্টমেন্টালাইজেশন) কতটা সম্ভব ও তাতে ক্ষতি কতটা বদলায়, তা তুলনা করা হবে।
মডেলে উৎপাদন, বাণিজ্য ও খামারের ব্যবসার তথ্যের সঙ্গে সরবরাহ শৃঙ্খলের অংশীদারদের মতামত যুক্ত হবে, আর ব্রিটিশ শূকর সরবরাহ শৃঙ্খলের মানচিত্র তৈরি করে দেখানো হবে ক্ষতি কীভাবে খামারি, প্রক্রিয়াজাতকারী, রপ্তানিকারক ও অন্য ব্যবসায় পৌঁছায়। বাণিজ্য ও বাজারে প্রবেশাধিকার, আঞ্চলিক পার্থক্য, রোগ নিয়ন্ত্রণের খরচ এবং খামারির আয়ের ওপর প্রভাব বিশেষ গুরুত্ব পাবে।
২০২৭ সালের শুরুতে এএইচডিবির নেতৃত্বে শিল্পের একটি দল স্পেন সফরে যাবে, দেখবে সেখানকার কর্তৃপক্ষ ও শিল্প কীভাবে রোগ নিয়ন্ত্রণ, অঞ্চলভিত্তিক বিধিনিষেধ, বাণিজ্য ও পুনরুদ্ধার সামলেছে; সেই অভিজ্ঞতা দিয়ে মডেল যাচাই করা হবে। প্রকল্প শুরু হয়েছে সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ, চূড়ান্ত প্রতিবেদন আসবে ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে।
ছবি: Derek Harper / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Pig World





মন্তব্য
(০)