ছাদকৃষিশীতের ছাদবাগান: কোন সবজি ও ফুল লাগাবেন, কেমন হবে টব আর মাটি
শীতের ছাদবাগানের প্রস্তুতি এখনই; ১২-১৫ ইঞ্চির টবে সবজি, ফুলের জন্য দোআঁশ মাটি, কম্পোস্ট ও কোকোপিটের মিশ্রণ, আর দিনে অন্তত ৫-৬ ঘণ্টা রোদ।
ছাদকৃষিশীতের ছাদবাগানের প্রস্তুতি এখনই; ১২-১৫ ইঞ্চির টবে সবজি, ফুলের জন্য দোআঁশ মাটি, কম্পোস্ট ও কোকোপিটের মিশ্রণ, আর দিনে অন্তত ৫-৬ ঘণ্টা রোদ।
ফলআগারগাঁওয়ে ৩০ বছর ধরে ফল বিক্রি করা মিজান মিয়ার পরামর্শ: শির থেকে পাকা ভাব, আঙুলে হালকা নরম, বোঁটায় কম সাদা কষ আর মিষ্টি ঘ্রাণ দেখে পেঁপে কিনুন।
ছাদকৃষিরাজশাহীর বিনোদপুরে নিজের ছাদবাগান থেকে চারা ও টব বিক্রি করে বছরে প্রায় ১২ লাখ টাকা আয় করছেন শারমিন আক্তার। ছাদবাগান বিভাগে জাতীয় বৃক্ষরোপণ পুরস্কারে প্রথম হয়েছেন তিনি।
ছাদকৃষিকরোনাকালে শখের ছাদবাগান থেকে শুরু; এখন মাসে পাঁচ হাজার টাকায় ভাড়া নেওয়া ছাদে কাটিং থেকে চারা তৈরি করে অনলাইনে মাসে প্রায় দুই লাখ টাকার শৌখিন গাছ বিক্রি করেন ইয়াসমিন খান।
ছাদকৃষিআইনজীবী জেসমিন জেবা সমকালে লিখেছেন, ঢাকায় বাগান করার উপযোগী প্রায় তিন লাখ ছাদ থাকলেও বাগান আছে মোটে ৫ শতাংশে। ছাদবাগানের সরকারি সংজ্ঞা, কর রেয়াত আর ভাড়াটিয়ার অধিকার নিয়ে নীতিমালা চান তিনি।
ছাদকৃষিসুইজারল্যান্ডের বাসেলে ২০০২ সাল থেকে সব নতুন সমতল ছাদে বাগান বাধ্যতামূলক; জার্মানির স্টুটগার্ট, লন্ডন, সিঙ্গাপুর আর টরন্টোর অভিজ্ঞতা বলছে, সবুজ ছাদের শহর গড়ে ওঠে নীতি আর প্রণোদনার জোরে।
ছাদকৃষিদৈনিক আজাদীতে এক লেখায় দেবাশীষ কান্তি বিশ্বাস লিখেছেন, ছাদবাগান বাতাসে অক্সিজেন বাড়ায় ও পরিবারে বিষমুক্ত খাবার জোগায়; কারিগরি প্রশিক্ষণ ও বিনা মূল্যে চারা দিলে তা গ্রাম-শহরে ছড়িয়ে পড়বে।
১৮০০ ফুটের পরিকল্পিত ছাদবাগান!
ছাদকৃষিচাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে বাড়ির ১,৪০০ বর্গফুট ছাদে ও সাড়ে ৬ শতক আঙিনায় ২০২৪ সালে ড্রাগন লাগিয়েছিলেন ৬২ বছরের আবু হানিফ; এখন বছরে লাখ টাকার বেশি লাভ করছেন, এবার ইজারা নিয়েছেন আরও ৬০ শতক জমি।
জনসন রোডে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রায় ১১ হাজার বর্গফুটের ফাঁকা ছাদে ৪১৮টি গাছ, জলাধার আর বাঁশের ঝোপ বানিয়ে পাখির আশ্রয় তৈরি করা হয়েছে; খরচ প্রায় ১০ লাখ টাকা।
ছাদকৃষিছাদবাগান টেকসই করতে হলে ছাদের ভারবহন ক্ষমতা, বিম-কলামের অবস্থান, পাত্রের আকার, মাটি তৈরি ও পানি নিষ্কাশন আগে থেকে ঠিক করে নিতে হয়; এগ্রিকেয়ার২৪ ধাপে ধাপে পদ্ধতিটি তুলে ধরেছে।
ছাদকৃষিবাগান, বারান্দা বা ছাদের টবেই জৈব পদ্ধতিতে রসুন ফলানো যায়; অক্টোবর-নভেম্বরে কোয়া পুঁতে, মালচিং ও পরিমিত পানিতে যত্ন নিয়ে গ্রীষ্মের শেষে তোলা যায় টাটকা রসুন।
লেখক মৃত্যুঞ্জয় রায় লিখেছেন, জাতীয় বৃক্ষমেলায় এবার ১৬ লাখ চারা বিক্রি হলেও তার বড় অংশ ছাদ ও ঘরের বাগানের গাছ; তিনি নির্দিষ্ট মূল্যতালিকা, নামফলক ও নগরবাগানিদের আলাদা জায়গার প্রস্তাব দিয়েছেন।