সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৯%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

মতামত: বৃক্ষমেলা এখন নগরবাগানির মেলা, নাম-দাম-তথ্যে চাই সংস্কার

লেখক মৃত্যুঞ্জয় রায় লিখেছেন, জাতীয় বৃক্ষমেলায় এবার ১৬ লাখ চারা বিক্রি হলেও তার বড় অংশ ছাদ ও ঘরের বাগানের গাছ; তিনি নির্দিষ্ট মূল্যতালিকা, নামফলক ও নগরবাগানিদের আলাদা জায়গার প্রস্তাব দিয়েছেন।

মতামত

আজকের পত্রিকার উপসম্পাদকীয় পাতায় মৃত্যুঞ্জয় রায় জাতীয় বৃক্ষমেলা নিয়ে কয়েকটি নাগরিক প্রস্তাব তুলে ধরেছেন। তাঁর মূল কথা, মেলাটি এখন কার্যত নগরবাগানিদের মেলা হয়ে উঠেছে, তাই এর নাম, তথ্য রাখা ও দাম নির্ধারণের পদ্ধতিতে বদল দরকার।

লেখায় ইতিহাসও টানা হয়েছে: ১৯৯১ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসে প্রত্যেক নাগরিককে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়, আর সে বছর ১৩ আগস্ট গাজীপুরের শালনায় একটি মেহগনি রোপণ করে কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৯৪ সালে বন বিভাগের উদ্যোগে জাতীয় পর্যায়ে বৃক্ষমেলা শুরু হয়, যা এখন প্রতিবছর আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে হয়।

বন বিভাগের তথ্য উদ্ধৃত করে লেখক জানান, গত মাসে শেষ হওয়া এবারের মেলায় ৭৪টি স্টল ও নার্সারি অংশ নেয় এবং ১৬ কোটি টাকার ১৬ লাখ চারা বিক্রি হয়, যা আগের বছরের চেয়ে ১ লাখ বেশি। তবে তাঁর ধারণা, সঠিক জরিপ হলে দেখা যেত এর ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশই বৃক্ষ নয়, ঘর সাজানো ও ছাদবাগানের গাছ; তাই বিক্রির হিসাবে কত শতাংশ বৃক্ষ, তা আলাদা রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

নগর কৃষি ফাউন্ডেশন মেলায় প্রায় ২০০ দর্শনার্থীর ওপর একটি জরিপ চালায়। লেখায় বলা হয়েছে, তাঁদের প্রায় ৯০ শতাংশ ঢাকার বাসিন্দা, প্রায় ৬০ শতাংশ নারী, প্রায় সবারই ছাদ, বারান্দা বা ঘরে বাগান আছে, আর প্রায় ৯০ শতাংশ পছন্দের চারা পেয়ে সন্তুষ্ট। অনেকে অন্দরবাগান, গোলাপ-অর্কিড বা বাগানবিলাসের মতো আলাদা ছোট মেলার কথা বলেছেন।

দাম নিয়ে লেখক লিখেছেন, হিসাব অনুযায়ী গড়ে প্রতি চারা ১০০ টাকায় বিকিয়েছে, অথচ কিছু বিদেশি ফলের চারার দাম হাঁকা হয়েছে ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। তাই সর্বজনগ্রাহ্য মূল্যতালিকা, গাছ ও জাতের নাম লেখা ট্যাগ, নগরবাগানিদের নিজেদের চারা বিক্রি ও বিনিময়ের জন্য আলাদা জায়গা এবং শিক্ষার্থীদের সফরের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

প্রতিবছর নির্ধারিত তারিখে মেলা করা এবং একই দিনে ৬৪ জেলায় বৃক্ষমেলার আয়োজনের কথাও বলেছেন লেখক, উদাহরণ দিয়েছেন ভারতের ১ থেকে ৭ জুলাইয়ের ‘বন মহোৎসব’-এর, যা ১৯৫০ সালে কে এম মুন্সি শুরু করেন। মতামতটি লেখকের নিজস্ব; সারাংশ দি এগ্রো নিউজের।

ছবি: জাহিদুল ইসলাম / আজকের পত্রিকা

সূত্র: আজকের পত্রিকা

আজকের পত্রিকাদা এগ্রো নিউজ

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

সুপারবাগ ঠেকাতে সাবানই যথেষ্ট নয়: ওয়ান হেলথ পদ্ধতির তাগিদ

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ডার্বির গবেষক মো. মামুন-উর-রশিদ লিখেছেন, হাত ধোয়া সহজ ও সস্তা সুরক্ষা হলেও সুপারবাগ মোকাবিলায় দরকার অ্যান্টিবায়োটিকের দায়িত্বশীল ব্যবহার, ফার্মেসি নিয়ন্ত্রণ, প্রাণী ও মৎস্য খাতে নজরদারি এবং পরিবেশ সুরক্ষা একসঙ্গে।

প্রথম আলো২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: কৃষি ও খামারভিত্তিক পর্যটনে কৃষকের আয়ের নতুন দুয়ার

শরিফুল ইসলাম রনি লিখেছেন, ইতালি, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মতো বাংলাদেশেও কৃষি পর্যটন একই জমি থেকে কৃষকের কয়েকটি আয়ের পথ খুলতে পারে, তবে শর্ত হলো কৃষি আগে, পর্যটন পরে।

ডেইলি বাংলাদেশ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা: গবেষণাপত্র থেকে কৃষকের মাঠের সমাধানে

দেশে কৃষি গবেষণা কম হয় না, প্রশ্ন হলো তার কতটা কৃষকের বাস্তব সমস্যার সমাধানে পৌঁছায়। সেজন্য দরকার কৃষককেন্দ্রিক, মাঠনির্ভর, তথ্যভিত্তিক ও প্রভাবমুখী গবেষণা।

তানিয়া চৌধুরী২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৯ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)
মতামত: বৃক্ষমেলা এখন নগরবাগানির মেলা, নাম-দাম-তথ্যে চাই সংস্কার | দা এগ্রো নিউজ