সার বিক্রিতে ডিলারের কমিশন কেজিতে ৩ টাকা, কৃষকের দাম অপরিবর্তিত
ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপিতে ডিলার পর্যায়ের দাম কেজিতে এক টাকা কমিয়ে কমিশন বাড়ানো হয়েছে; ২০০৯ সালের পর এই প্রথম।
ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপিতে ডিলার পর্যায়ের দাম কেজিতে এক টাকা কমিয়ে কমিশন বাড়ানো হয়েছে; ২০০৯ সালের পর এই প্রথম।
দেশে সরকার নিযুক্ত সার ডিলারদের কমিশন বাড়ছে। সব ধরনের সারে প্রতি কেজিতে এক টাকা কমিশন বাড়িয়ে করা হচ্ছে তিন টাকা।
বাজার ব্যবস্থাপনাআইওয়ার ওগডেনে ১১ সেপ্টেম্বর ভুট্টা ও গম চাষিদের এক সমাবেশে মার্কিন কৃষি দপ্তরের উপসচিব স্টিফেন ভেডেন বলেছেন, সারের অন্যায্য দামের একশো কৃষকের অভিজ্ঞতা কোনো আইনজীবীই সহজে খণ্ডাতে পারবেন না; ফেডারেল ট্রেড কমিশনের তদন্ত চলাকালে কৃষকদের নাম গোপন রেখে তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে।
ফসফরাস খুচরায় টনে ১ হাজার ডলারের ওপরে আর বসন্তের নাইট্রোজেনে কিছু বিক্রেতা পুড়েছেন, ক্রপলাইফকে GROWMARK (গ্রোমার্ক), AgriPartners (অ্যাগ্রিপার্টনার্স) ও Sunrise Cooperative (সানরাইজ কোঅপারেটিভ) বলছে আগাম সংগ্রহ, বেশি মজুত ও চাষির সঙ্গে খোলাখুলি কথার কথা; বিশ্বের ইউরিয়া রপ্তানির প্রায় অর্ধেক হরম
১০ সেপ্টেম্বর উপসচিব মো. মাকছুদুল ইসলামের স্বাক্ষরে জারি আদেশে মন্ত্রণালয়ের ৫২৮ নম্বর কক্ষে কন্ট্রোল রুম, তদারকিতে অতিরিক্ত সচিব (সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ); রোববার দুপুর ২টা পর্যন্ত দুই ডিলারের অভিযোগ এসেছে, জানালেন যুগ্মসচিব আক্তারুন্নাহার।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কৃষি মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের কৃষিমন্ত্রী মো. আমিন উর রশিদ: প্রতিটি উপজেলা ও জেলায় সার মনিটরিং কমিটি হয়েছে, প্রতি সপ্তাহে জাহাজ আসে, পিক মৌসুমের আগে রিজার্ভ ১৫ লাখ টনেও তোলা হয়; কয়েক দিনেই পরিস্থিতি ঠিক হবে।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে টিএসপির ৫০ কেজির বস্তা সরকারি দাম এক হাজার ৩৫০ টাকা হলেও ডিলাররা চাইছেন এক হাজার ৮০০ টাকা।
১১ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর দুই শিফটে চলবে কন্ট্রোল রুম; কৃত্রিম সংকট, অবৈধ মজুত বা বাড়তি দামের অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফেনীর ফুলগাজীতে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ জানালেন, সার তদারকিতে একাধিক টিম কাজ করছে; দুই কোটি কৃষক কৃষি কার্ডের আওতায় আসবেন এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে।
সার নিয়ে অস্থিরতার মধ্যে কৃষি বিজ্ঞানীরা বলছেন, ন্যানো ফার্টিলাইজারের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সার আমদানি ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব।
ফেনীর ফুলগাজীতে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেছেন, দেশে পর্যাপ্ত সার মজুত আছে; একটি চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে চাইছে, আর প্রথম ধাপে ১ লাখ ১০ হাজার কৃষি কার্ড বিতরণ হবে।
এগ্রোবিজকানাডার বাণিজ্যমন্ত্রী Maninder Sidhu ঘোষিত চুক্তিতে Canadian Commercial Corporation-এর মাধ্যমে Canpotex-এর পটাশ যাবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনে; ২০১৪ সাল থেকে এমন ১২টি চুক্তিতে ৩৫ লাখ টনের বেশি পটাশ এসেছে, আর ২০২৫ সালে কানাডার সার রপ্তানি ১৩.২ শতাংশ বেড়ে প্রায় ৯০০ কোটি ডলার।
দিনাজপুরের খানসামায় অবৈধ ও অতিরিক্ত মজুতের অভিযোগে প্রশাসন প্রায় ১ হাজার ৬০০ বস্তা রাসায়নিক সার জব্দ করেছে; জব্দ সার নিয়ম মেনে কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।