সার সরবরাহ, মজুত, পরিবহন, বিতরণ ও খুচরা বিক্রি সার্বক্ষণিক তদারকিতে ‘সার ব্যবস্থাপনা কন্ট্রোল রুম’ গঠন করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়; যোগাযোগের ফোন নম্বর ০৫০৩৫১। মাঠপর্যায়ে সমস্যা বা অনিয়ম দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থার জন্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, ডিলার ও কৃষকদের ১৪ দফা নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর প্রশাসন-১ শাখার উপসচিব মো. মাকছুদুল ইসলামের স্বাক্ষরে জারি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আদেশ অনুযায়ী পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের ৫২৮ নম্বর কক্ষে কন্ট্রোল রুম চলবে; ২৭টি দলের প্রতিটিতে একজন কর্মকর্তা, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও একজন অফিস সহায়ক। ১১ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর দুই শিফটে—সকাল ৮টা থেকে বেলা ৩টা এবং বেলা ৩টা থেকে রাত ১০টা—কাজ চলবে; সার্বিক তদারকিতে অতিরিক্ত সচিব (সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ)।
১৪ নির্দেশনার মধ্যে আছে: জেলা-উপজেলা থেকে সরবরাহ, মজুত, পরিবহন ও বিতরণের তথ্য নিয়মিত সংরক্ষণ; পরিবহনে অনিয়ম, কৃত্রিম সংকট, অবৈধ মজুত, কালোবাজারি, অতিরিক্ত দাম আদায় বা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার খবর পেলে তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো; কোনো জেলা-উপজেলায় সংকটের আশঙ্কা দেখা দিলে অগ্রাধিকারে শনাক্ত করে ব্যবস্থার সুপারিশ; কৃষক, ডিলার ও পরিবহনকারীর অভিযোগ গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো ও নিষ্পত্তির অগ্রগতি অনুসরণ; জরুরি পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের সঙ্গে সমন্বয়।
আরও আছে প্রতিদিনের পরিস্থিতি, অভিযোগ ও ব্যবস্থার নির্ধারিত ছকে নিবন্ধন, দৈনিক-সাপ্তাহিক প্রতিবেদন; সরবরাহে বিঘ্ন, পরিবহন-গুদাম সমস্যা বা ডিলার পর্যায়ে অনিয়মে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ; সামাজিক মাধ্যম, পত্রিকা, টেলিভিশন ও অনলাইনে সার নিয়ে খবর এলে জেলা-উপজেলা-ইউনিয়ন পর্যায়ে যোগাযোগ করে যাচাই; টেলিফোন, মোবাইল, ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপে আসা অভিযোগ নথিভুক্ত করা; শিফট বদলের সময় তথ্য হস্তান্তর এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সময়ে সময়ে দেওয়া নির্দেশনা পালন।
রোববার দুপুরে মন্ত্রণালয়ে গিয়ে দেখা যায় দুই কর্মকর্তা দায়িত্বে; আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখার যুগ্মসচিব আক্তারুন্নাহার জানান, দুপুর ২টা পর্যন্ত দুজন ডিলারের অভিযোগ এসেছে এবং তা লিখে রাখা হচ্ছে; একই শাখার উপসচিব মোছা. সুস্মিতা ইসলাম জানান, শনিবার থেকে কন্ট্রোল রুমের কাজ শুরু হয়েছে।
প্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: প্রতিদিনের বাংলাদেশ





মন্তব্য
(০)