অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষি বিভাগের নির্দেশনায় বরিশালে এ বছর পাটের সুদিন ফিরছে: ফলন বেশি, বাজারে দামও ভালো, কয়েক বছরের লোকসান কাটিয়ে লাভের মুখ দেখছেন শত শত কৃষক। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যে চলতি বছর ১২ হাজার ৫৯১ হেক্টরের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১২ হাজার ৫১১ হেক্টরে পাট হয়েছে, ১২ হাজার ২০৩ হেক্টরের পাট কাটা শেষ।
উপজেলাভিত্তিক আবাদ: সদর ৯২০, বাবুগঞ্জ ২,১০০, উজিরপুর ২১৫, বাকেরগঞ্জ ৪, গৌরনদী ৬৫৫, আগৈলঝাড়া ৭০, মুলাদী ৩,১৭০, হিজলা ১,৮৩০, মেহেন্দীগঞ্জ ৩,৪৯০ ও বানারীপাড়া ৫২ হেক্টর। উন্নত জাতের পাশাপাশি বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উচ্চফলনশীল ‘বিনা তোষাপাট-১’-এও বেশি ফলন হয়েছে; সময়মতো বৃষ্টিতে জাগ দিতে বেগ পেতে হয়নি, আঁশের রং উজ্জ্বল ও মান চমৎকার।
বাবুগঞ্জের রফিয়াদি গ্রামের জলিল চৌকিদার এ মৌসুমে প্রায় ৫০ মণ পাট পেয়েছেন; গত বছর মণ ১ হাজার ৭০০–১ হাজার ৯০০ টাকায় বিকোলেও এবার ৩ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার টাকা। তিনি বাসসকে বলেন, দাম কমে যাওয়ায় কৃষক আগ্রহ হারিয়েছিলেন, এখন স্বল্প খরচে বেশি ফলন ও লাভে আবার ফিরছেন। আরজি কালিকাপুরের রহিম ও কৃষক বাচ্চু খানের কথায়, বিনা তোষাপাটে বিঘায় ১০–১২ মণ ফলন আর ভালো দামে তাঁরা খুশি।
প্লাস্টিক সামগ্রী বর্জনে সরকারি কড়াকড়ি এবং চটের ব্যাগসহ পাটপণ্যের চাহিদা বাড়ায় ব্যাপারীরা প্রতিযোগিতা করে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ভালো দামে পাট কিনছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বরিশাল খামারবাড়ির উপপরিচালক মোসাম্মৎ মরিয়ম বেগম বাসসকে বলেন, পাটচাষিদের নানা ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বাসসের বরিশাল বিশেষ প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: বাসস





মন্তব্য
(০)