ফসলঘিওরের ৩০০ বছরের হাটে প্রতি বুধবার কোটি টাকার পাট, মণ ৪,৬০০-৫,৩০০ টাকা
মানিকগঞ্জের ঘিওর হাটে প্রতি বুধবার গড়ে ৫-৬ হাজার মণ পাট ওঠে; এবার দাম ভালো, তবে পানির অভাবে পাট পচাতে ভোগান্তি আর নদীভাঙনে হাট ছোট হয়ে আসছে।
ফসলমানিকগঞ্জের ঘিওর হাটে প্রতি বুধবার গড়ে ৫-৬ হাজার মণ পাট ওঠে; এবার দাম ভালো, তবে পানির অভাবে পাট পচাতে ভোগান্তি আর নদীভাঙনে হাট ছোট হয়ে আসছে।
ফসলগোপালগঞ্জে এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাট আবাদ হয়েছে, উৎপাদন ৫২ হাজার ৬৫৬ টন; পাটকল ও মজুতদারদের প্রতিযোগিতায় মণপ্রতি দাম উঠেছে ৪,৭০০ থেকে ৫,৩০০ টাকা, খরচ বাদে কৃষকের লাভ ১,২০০ থেকে ১,৫০০ টাকা।
ফসলনওগাঁয় এবার পাটের ফলন ও আঁশের মান ভালো হয়েছে; মান্দার সতীহাটে মান ও জাতভেদে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
লক্ষ্যমাত্রা ১২,৫৯১ হেক্টরের বিপরীতে ১২,৫১১ হেক্টরে আবাদ, ১২,২০৩ হেক্টর কাটা শেষ; মেহেন্দীগঞ্জে ৩,৪৯০ ও মুলাদীতে ৩,১৭০ হেক্টর; প্লাস্টিকে কড়াকড়ি ও চটের ব্যাগের চাহিদায় ব্যাপারীরা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে প্রতিযোগিতায় কিনছেন; সময়মতো বৃষ্টিতে জাগে সমস্যা হয়নি, আঁশ উজ্জ্বল।
বিঘায় ২০-২৬ হাজার টাকা খরচে ১০ মণ পাট মণপ্রতি প্রায় ৩ হাজার টাকায় বিকোলেও লাভ সামান্য; একই জমির পাটখড়ি মানভেদে ১০-১৫ হাজার টাকায় কিনছেন ব্যবসায়ীরা, জ্বালানি, বেড়া ও গোয়ালঘর ছাড়িয়ে শহরেও ফেরি হচ্ছে।
অনুকূল আবহাওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে পাট আবাদ, ৯০ শতাংশ কাটা শেষ, বিঘায় ১০-১২ মণ ফলন; পাটখড়ির আঁটি ৮০-১০০ টাকা; পাট অধিদপ্তর ৮ হাজার কৃষককে ১ কেজি করে বীজ দিয়েছিল, সিন্ডিকেটে দাম না কমে সে নজরদারি চান কৃষক।
কামারজানি ও ফুলছড়ি হাটে নৌকায় করে পাট নিয়ে আসছেন চরের চাষিরা; জেলায় এবার ১৩,৯৮৭ হেক্টরে পাট, উৎপাদন ধরা হয়েছে ৩৪,৯৮৭ টন, তবে সিন্ডিকেট আর দাম কতদিন থাকবে, সে শঙ্কা কাটেনি।
এগ্রোবিজ২০২৫ সালের আগস্টে চুয়াডাঙ্গায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি, ৮ হাজার ৯৯৫ হেক্টর জমির পাট কাটা শুরু হয়। কাটার আগে টানা বৃষ্টিতে গাছ হেলে পড়ায় ফলন কমেছে, তবে প্রতি মণ পাট বিক্রি হয়েছে প্রায় ৪ হাজার টাকায়, যা আগের বছরের চেয়ে ৫০০ টাকা বেশি।