সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৪ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৫৬%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

গাইবান্ধায় ভরা মৌসুমে পাট মণ ৩,৮০০-৪,১০০ টাকা, দশ বছরে সেরা দামে লাভে চাষিরা

কামারজানি ও ফুলছড়ি হাটে নৌকায় করে পাট নিয়ে আসছেন চরের চাষিরা; জেলায় এবার ১৩,৯৮৭ হেক্টরে পাট, উৎপাদন ধরা হয়েছে ৩৪,৯৮৭ টন, তবে সিন্ডিকেট আর দাম কতদিন থাকবে, সে শঙ্কা কাটেনি।

গাইবান্ধায় চলতি মৌসুমের ভরা বাজারে পাটের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। হাটে মানভেদে প্রতি মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার ১০০ টাকায়, যা অন্তত গত ১০ বছরের মধ্যে ভরা মৌসুমের সর্বোচ্চ দাম বলে জানাচ্ছেন কৃষকেরা। দীর্ঘদিনের হতাশা কাটিয়ে এবার উৎপাদন খরচ মিটিয়ে লাভের মুখ দেখছেন তাঁরা।

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি ও ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি হাটে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে পাটের বেচাকেনা। ভোর থেকেই নৌকায় করে পাট নিয়ে আসছেন চরাঞ্চলের চাষিরা; হাটের পাশাপাশি নৌকাতেও চলছে কেনাবেচা। ফুলছড়ির উদাখালি, উড়িয়া, ফজলুপুর ও কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পাট শুকানো ও ছেলার কাজ করছেন চাষিরা।

ফুলছড়ি ইউনিয়নের বাগবাড়ি এলাকার পাটচাষি আব্দুস সালাম বলেন, এবার দামে তাঁরা খুশি; এমন বাজার থাকলে আগামীতে আরও বড় পরিসরে পাট চাষ করবেন। কৃষক আবেদ আলী ব্যাপারী বলেন, সব খরচ বাদে এবার লাভ হচ্ছে, তবে এই দাম কতদিন থাকবে তা নিয়ে শঙ্কা আছে। জামালপুরের ঘুটাইল বাজার থেকে আসা পাইকারি ক্রেতা খোরশেদ আলম জানান, সবচেয়ে ভালো মানের পাট ৪ হাজার ৫০ থেকে ৪ হাজার ১০০, মাঝারি মানের ৩ হাজার ৯০০ থেকে ৪ হাজার এবং তুলনামূলক নিম্নমানের পাট ৩ হাজার ৮০০ টাকায় কিনছেন তাঁরা।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এ বছর ১৩ হাজার ৯৮৭ হেক্টরে পাট চাষ হয়েছে, যা গত বছরের ১৩ হাজার ৮১৭ হেক্টরের চেয়ে ১৭০ হেক্টর বেশি; ২০২২ সালে জেলার সাত উপজেলায় পাটের আবাদ ছিল ১৬ হাজার ৪৬০ হেক্টর, তারপর কয়েক বছরে আবাদ কমে গিয়ে গত দুই বছর ধরে ধীরে বাড়ছে। এ বছর উৎপাদন ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৯৮৭ টন; ৪৮ হেক্টরের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সার-বীজের প্রণোদনা চালু থাকলেও কোনো বছরই আবাদ ও উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।

চাষিরা বলছেন, বন্যা-খরার ঝুঁকি আর ধারদেনা করে পাট চাষ করলেও দাম ঠিক করেন পাটকল মালিক ও ফড়িয়া-ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট, তাই প্রায় প্রতি বছরই পুঁজি হারিয়ে অনেকে আগ্রহ হারিয়েছেন। কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের উত্তর রসূলপুরের কৃষক ফারুক হোসেন বলেন, শতকরা ৯০ ভাগ কৃষকের ঘরে পাট ফুরিয়ে গেলে তবেই ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ান; এবার সেই চিত্র পাল্টেছে, তবে বাজার ধরে রাখতে সরকারের নজরদারি চান তিনি। ফুলছড়ি হাটে পাট বিক্রি করতে আসা আলফাজ আলী জানান, মৌসুমের শুরুতে বাধ্য হয়ে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় পাট বেচেছিলেন তিনি, কয়েক সপ্তাহ পরেই সেই পাট হাটে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হয়েছে।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আসাদুজ্জামান বলেন, পাটের বাজার এখন ভালো এবং অন্য ফসলের পাশাপাশি পাটের আবাদ বাড়াতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। জেলায় এ বছর দুই হাজার বিঘা জমির জন্য ২ হাজার ১০০ কৃষককে এক কেজি করে বীজ এবং পাঁচ কেজি ডিএপি ও পাঁচ কেজি এমওপি বিনা মূল্যে দেওয়া হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে উপসহকারী কর্মকর্তারা পরামর্শ দিয়েছেন। প্রতিবেদনটি বাসসের, গাইবান্ধা থেকে ১০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত।

সূত্র: বাসস

বাসসসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

যশোরে খেজুরের গুড়ের মৌসুম শুরু: উৎপাদনের দাম ১১১ কোটি টাকা, তবু গাছির অভাব

জিআই স্বীকৃত যশোরের খেজুরের গুড় ঘিরে নতুন মৌসুমে প্রস্তুতি শুরু। সাড়ে ২২ লাখ গাছের মধ্যে রস মেলে সোয়া তিন লাখের কিছু বেশি থেকে। গাছির সংকট, গাছ নিধন ও কম মজুরিতে পেশাটি ধুঁকছে।

বাংলা নিউজ ২৪৪ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

দেশেই শুরু ভ্যানিলা চাষ, বিশ্ববাজারে কেজি ৩০ হাজার টাকা: বাধা বিনিয়োগ ও প্রক্রিয়াজাত

বগুড়ার মসলা গবেষণা কেন্দ্রে ২০১৯ সালে শুরু হওয়া ভ্যানিলা চাষ এখন কয়েকটি জেলায় ছড়িয়েছে। আবহাওয়া উপযোগী প্রমাণিত হলেও বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়নি, ৫০ শতকে খরচ ২০ থেকে ৫০ লাখ টাকা।

প্রথম আলো৪ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

ভোলায় পাচারের সন্দেহে ২৯০ বস্তা সার আটক, গোডাউন সিলগালা করলেন ইউএনও

ভোলার চর ইলিশায় নদীপথে নেওয়ার সময় ২৯০ বস্তা টিএসপি ও ডিএপি সার আটক করেছেন স্থানীয়রা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সার চরের কৃষকদের জন্য। ইউএনও বলেছেন, বৈধ কাগজ মেলেনি, তদন্ত হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)