সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৩ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৯%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

মেহেরপুরে বিঘার পাট ৩০ হাজার টাকা, পাটখড়ি আরও ১০-১৫ হাজার: উপজাত থেকে আয়ের নতুন উৎস

বিঘায় ২০-২৬ হাজার টাকা খরচে ১০ মণ পাট মণপ্রতি প্রায় ৩ হাজার টাকায় বিকোলেও লাভ সামান্য; একই জমির পাটখড়ি মানভেদে ১০-১৫ হাজার টাকায় কিনছেন ব্যবসায়ীরা, জ্বালানি, বেড়া ও গোয়ালঘর ছাড়িয়ে শহরেও ফেরি হচ্ছে।

একসময় পাট চাষের পর পড়ে থাকা অবহেলিত উপজাত পাটখড়ি এখন মেহেরপুরের কৃষকের কাছে আঁশের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্য। পাটের দর নিয়ে প্রত্যাশা সব সময় পূরণ না হলেও পাটখড়ি বিক্রি করে উৎপাদন খরচের বড় অংশ তুলে আনছেন চাষিরা; কোনো কোনো ক্ষেত্রে পাটের চেয়ে পাটখড়িতেই বেশি টাকা মিলছে, ফলে গত কয়েক বছরের লোকসানের পরও নতুন করে পাটে আগ্রহ বাড়ছে।

মেহেরপুরে এক বিঘায় পাট উৎপাদনে খরচ প্রায় ২০-২৫ হাজার টাকা, ফলন গড়ে ১০ মণ; মণ প্রায় ৩ হাজার টাকায় বিঘার পাট বিক্রি হয় প্রায় ৩০ হাজার টাকায়। একই জমির পাটখড়ি মানভেদে ১০-১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। সদর উপজেলার পাটচাষি মাহাতাব হোসেন বাসসকে বলেন, বিঘায় প্রায় ২৬ হাজার টাকা খরচের পর পাট বেচে খুব বেশি লাভ থাকে না, কিন্তু পাটখড়ির বাড়তি টাকায় খরচ অনেকটাই উঠে আসে।

পাটখড়ির পুরোনো ব্যবহার মাটির চুলার জ্বালানি; এখন বাড়ির বেড়া, গোয়ালঘর, অস্থায়ী ঘের এবং সবজি বা অন্য ফসলের জমি পশু থেকে বাঁচাতে বেড়া তৈরিতেও লাগছে। পিরোজপুর গ্রামের কৃষক আবুল হাসানের কথায়, পাটখড়ি এখন আর ফেলে রাখার জিনিস নয়। মাঠ থেকে তুলে রাস্তার পাশে, মাঠে বা উঠানে রোদে শুকিয়ে ছোট আঁটিতে সংরক্ষণ করা সহজ; শুক্রবার কালাচাঁদপুর গ্রামের পিচরাস্তার দুই পাশে পাটখড়ি শুকানোর দৃশ্য চোখে পড়ে।

চাহিদা এখন গ্রামে সীমাবদ্ধ নেই, মেহেরপুর শহরেও ফেরি করে পাটখড়ি বিক্রি হচ্ছে। পাঁচ বছর ধরে এ ব্যবসা করা জাহিদুল ইসলাম বলেন, আগে এত ব্যবসা ছিল না; নানা কাজে ব্যবহার বাড়ায় চাহিদা বেড়েছে, কৃষকের কাছ থেকে মানভেদে বিঘার পাটখড়ি ১০-১৫ হাজার টাকায় কিনে গ্রাম ও শহরে ফেরি করে বিক্রি করেন তিনি।

বাসসের মেহেরপুর বিশেষ প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: বাসস

বাসসসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফল

জলে ডোবা ধানখেতে পানিফল চাষে লাভ দেখছেন তমলুকের চাষিরা

নিম্নচাপ আর অতিবৃষ্টিতে জমিতে জল জমে ধান পচে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের তমলুক ব্লকের চাষিরা পানিফল চাষে ঝুঁকেছেন; প্রতি কাঠায় এক থেকে দেড় কুইন্টাল ফলন, কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

এই সময়৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

সারে অনিয়মে ডিলারশিপ বাতিল, জড়িত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী

রবি মৌসুমের সার সরবরাহ নিয়ে জেলা প্রশাসক ও ডিএইর উপপরিচালকদের সঙ্গে সভায় কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, অনিয়ম বা কৃষক হয়রানিতে নতুন ডিলারের লাইসেন্স বাতিল হবে; প্রতিটি দোকানে দাম ও মজুতের তালিকা টাঙাতে হবে এবং সীমান্তে পাচার ঠেকাতে কড়া নজরদারি লাগবে।

কৃষি তথ্য সার্ভিস৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

এক বাড়ির শিম চাষ এখন ২০ পরিবারের আয়, সুন্দরগঞ্জের জরমনদী গ্রামে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের জরমনদী গ্রামে প্রায় ১৬ বছর আগে নাটোর থেকে আনা পুঁটি জাতের বীজে শুরু হওয়া শিম চাষ এখন অন্তত ২০ পরিবারের প্রায় ৩৫ বিঘায়; পাইকারিতে কেজি ৫০ টাকা, তবে উপকরণের দাম বাড়ায় লাভ কমছে।

সমকাল৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)