বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি কৃষক কার্ড কর্মসূচিতে বাগেরহাটে প্রথম দফায় ৯ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ২৬ হাজার ৩৩৮ জন কৃষক কার্ড পাবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৭ সেপ্টেম্বর কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন; ওই দিন অনলাইনে জেলার উপকূলীয় রামপাল উপজেলা যুক্ত হবে বলে কৃষি বিভাগ আশা করছে। পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে জেলার ২ লাখ ৪৪ হাজার ৩২৮ জন কৃষক কার্ড পাবেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বাগেরহাটের অতিরিক্ত উপপরিচালক অপূর্ব লাল সরকার বাসসকে জানান, প্রথম দফায় লক্ষ্য ৩১ হাজার ৩৭৪ জন; ২৬ হাজার ৩৩৮ জনের তথ্য সংগৃহীত, বাকিটা নির্দিষ্ট সময়ে শেষ হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৭ সদস্যের কমিটি বাছাই করে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ২৬ হাজার ৩৩৮ জনের নাম চূড়ান্ত করে তালিকা ব্যাংকে পাঠিয়েছে।
প্রথম ব্লকের জরিপ সম্পন্ন ইউনিয়নগুলো: সদরের রনজিতপুর, চুলকাঠি ও খানপুর; ফকিরহাটের দেয়াপাড়া, কাঠালতলা ও সিংগাতী; মোল্লাহাটের চুনখোলা, শাসন ও কাচনা; রামপালের ইসলামাবাদ, গিলাতলা ও বাশতলী; কচুয়ার বাধাল, সাংদিয়া ও পিংগরিয়া; মোড়েলগঞ্জের চালিতাবুনিয়া ও খাওলিয়া; শরণখোলার খোন্তাকাটা, গোলবুনিয়া ও নলবুনিয়া; মোংলার চিলা, জয়মনি ও হলদিবুনিয়া; চিতলমারীর চরডাকাতিয়া ও চরবানিয়ারী।
কার্ডধারী কৃষকেরা জনতা, সোনালী ও কৃষি ব্যাংক থেকে বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে অনুদান পাবেন; কার্ডটি ডেবিট কার্ড হিসেবে গণ্য হবে বলে জানান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. মোতাহার হোসেন। অধিদপ্তরের তথ্যে, কার্ডধারীরা ন্যায্যমূল্যে সেচ, প্রশিক্ষণ, যন্ত্রপাতি, রোগবালাই দমনের পরামর্শ, পণ্য বিক্রির সুবিধা, কৃষিবিমা প্রশিক্ষণ, ভর্তুকি-প্রণোদনা, ঋণ ও উপকরণ পাবেন। লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকির মধ্যে চাষ করা উপকূলীয় এই জেলার কৃষকদের জন্য কর্মসূচিটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।
বাসসের বাগেরহাট প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: বাসস





মন্তব্য
(০)