নওগাঁয় এবার পাটের ভালো ফলনের পাশাপাশি আঁশের মানও ভালো হয়েছে, বাজারে দামও মিলছে। অনেক দিন পর উৎপাদন ও বাজারদর দুটোই অনুকূলে থাকায় স্বস্তি ফিরেছে জেলার পাটচাষিদের মধ্যে।
মান্দা উপজেলার সতীহাটে ভোর থেকেই নানা যানবাহনে দেশি, তোষা ও মেস্তা জাতের পাট নিয়ে আসছেন কৃষকেরা। সরবরাহের চেয়ে চাহিদা বেশি থাকায় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দরদাম করেই পাট বিক্রি হচ্ছে। মান ও জাতভেদে প্রতি মণ পাটের দাম ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা।
তিলকপুর ইউনিয়নের তিলকপুর গ্রামের চাষি নোমান আহম্মেদ জানান, পাট কাটার পর জাগ দেওয়া, আঁশ ছাড়ানো, ধোয়া ও শুকানো বেশ শ্রমসাধ্য। এবার পর্যাপ্ত বৃষ্টিতে জলাশয়ে পানি থাকায় জাগ দিতে বাড়তি ঝামেলা হয়নি, আঁশের রংও ভালো হয়েছে। কিছুদিন ঘরে রেখে বিক্রি করতে পারলে মণপ্রতি ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পাওয়ার আশা করছেন তিনি।
আত্রাই উপজেলার বান্দাইখাড়া ইউনিয়নের চকশিমলা গ্রামের চাষি ওমর ফারুক ১০ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছিলেন। জাগ দেওয়ার আগেই ফড়িয়ারা ৩ হাজার ৮০০ টাকা মণ দরে ২০ মণ পাট অগ্রিম বুকিং দেন। বাকি পাট তিনি ৪ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি করেছেন, যা গত বছরের চেয়ে মণপ্রতি ৭০০ টাকা বেশি।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর রহমান জানান, চলতি বছর জেলায় ৩ হাজার ১৭০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। এ জমি থেকে ৮ হাজার ৯১০ টন পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনটি কৃষি সময়ের নওগাঁ সংবাদদাতার পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে লেখা।
ছবি: Shahnoor Habib Munmun / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)