সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

ঘাটাইলে সরকারি দামে মিলছে না সার, বস্তায় বাড়তি ৪৫০ টাকা পর্যন্ত

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে টিএসপির ৫০ কেজির বস্তা সরকারি দাম এক হাজার ৩৫০ টাকা হলেও ডিলাররা চাইছেন এক হাজার ৮০০ টাকা।

ফসল

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সরকার নির্ধারিত দামে সার পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন কৃষকরা। তাঁদের ভাষ্য, ডিলাররা বাড়তি দাম চাইলেও এ বিষয়ে প্রশাসনের তেমন নজরদারি নেই।

উপজেলার পূর্বাঞ্চলের টিলার মাটিতে প্রধানত কলা, ড্রাগন, পেঁপে ও হলুদের চাষ হয়। এসব ফসলে টিএসপি ও ডিএপি সারের চাহিদা বেশি, কারণ টিএসপি মাটির ফসফরাসের ঘাটতি পূরণ করে— যা গাছের শিকড় মজবুত করে, সময়মতো ফুল ফোটায় ও ফসলের গুণগত মান বাড়ায়।

কৃষি অফিসের তথ্যমতে, উপজেলায় বিসিআইসির সার ডিলার ১৮ জন ও বিএডিসির ডিলার ২০ জন। ডিলারদের তথ্যমতে, এ মাসে ডিলারপ্রতি বরাদ্দ ছিল ইউরিয়া ৫৬০ বস্তা, টিএসপি ২৯, এমওপি ১০০ এবং ডিএপি ৫০ বস্তা।

সরকার নির্ধারিত দর অনুযায়ী ইউরিয়া ও টিএসপির ৫০ কেজির বস্তা এক হাজার ৩৫০ টাকা, এমওপি এক হাজার এবং ডিএপি এক হাজার ৫০ টাকায় ডিলারদের বিক্রি করার কথা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, এই দামে কোথাও সার মিলছে না।

কুশারিয়া গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা আবু সাইদ অনিক বলেন, সরকারি দামে সার কিনতে পারলে প্রতি মাসে কৃষকের ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা বেঁচে যেত। কৃষক নাসির উদ্দিন বলেন, ‘সরকারি মূল্যে এক ছটাক সারও কেনা যাচ্ছে না।’ গত ২ সেপ্টেম্বর সাগরদীঘি বাজারের বিসিআইসি ডিলার রাজীব এন্টারপ্রাইজে গেলে টিএসপির প্রতি বস্তার দাম চাওয়া হয় এক হাজার ৮০০ টাকা, ইউরিয়া এক হাজার ৪৬০ এবং পটাশ এক হাজার ১৩০ টাকা।

গত ১১ আগস্ট ভোক্তা অধিকারের অভিযানে বেশি দামে সার বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। তবে মালিক সঞ্জয় সাহা বলেন, ‘আমি সারের দাম বেশি রাখি না। কৃষকের ক্ষতি হয় এমন কাজ করি না।’ ধলাপাড়া বাজারে বিএডিসির ডিলার শান্ত এন্টারপ্রাইজে প্রতি বস্তা ইউরিয়া এক হাজার ৪৮০, ডিএপি এক হাজার ৬০০ ও পটাশ এক হাজার ১০০ টাকা দাম চাওয়া হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিলশাদ জাহান বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত সারের বাজার মনিটর করছি। কোনো ডিলার বেশি দামে সার বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ ইউএনও মো. মাহমাদুল হাসান বলেন, এখন পর্যন্ত কৃষকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাননি; অভিযোগ পেলে তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন।

সূত্র: সমকাল (ঘাটাইল, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি)

সমকালদা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

মাত্রাছাড়া সার-কীটনাশকে নষ্ট হচ্ছে মাটির স্বাস্থ্য, কৃষককে সতর্ক করার আহ্বান

রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারে মাটির স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

মণপ্রতি ৭০০ টাকাতেও ক্রেতা নেই, গোলাভরা ধান নিয়ে বিপাকে হাওরের কৃষক

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের প্রায় চার লাখ কৃষক ধানের দাম না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন; গত বছরের তুলনায় মণপ্রতি দর নেমেছে কয়েকশ টাকা।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()