দেশে সারের কোনো সংকট নেই, বরং কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আমিন উর রশিদ। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, কয়েক দিনের মধ্যেই সারের পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষি মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
মন্ত্রীর ভাষ্য, কিছু লোক ইচ্ছাকৃতভাবে সারের ‘ইমিটেশন ক্রাইসিস’ তৈরির চেষ্টা করছিল; সীমান্তে, রাইস মিলে ও এমন গুদামে সার পাওয়া যাচ্ছে যেখানে সার থাকার কথা নয়। মানুষ সচেতন হয়ে উঠেছে এবং প্রায় প্রতিটি উপজেলায় ও জেলা পর্যায়ে সার মনিটরিং কমিটি করে দেওয়া হয়েছে।
মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, চাহিদার চেয়ে লাখ টন সার বেশি আছে; প্রতি সপ্তাহে এক বা একাধিক জাহাজ আসে এবং চাহিদা অনুযায়ী আমদানি হয়। সরকারের হাতে সাধারণত ১০ থেকে ১২ লাখ টনের রিজার্ভ থাকে, পিক মৌসুমের আগে কখনো তা ১৫ লাখ টনেও তোলা হয়; কোনো জাহাজ ডুবে গেলে বা সমস্যায় পড়লে যাতে সংকট না হয়, সে জন্য কমপক্ষে দুই থেকে তিন মাসের মজুত রাখা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী জানান, মন্ত্রণালয়ের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের কাজ, নতুন কী যোগ করা যায়, দেশে কিসের ঘাটতি আছে এবং কোন বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—সব নিয়েই প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করেছেন। মাঠপর্যায়ে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ডিলারের গুদামে ভিড় ও বাড়তি দামের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে মন্ত্রীর এই বক্তব্য এল।
কৃষি সংবাদের প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: কৃষি সংবাদ




মন্তব্য
(০)