সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

সার বিক্রিতে ডিলারের কমিশন কেজিতে ৩ টাকা, কৃষকের দাম অপরিবর্তিত

ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপিতে ডিলার পর্যায়ের দাম কেজিতে এক টাকা কমিয়ে কমিশন বাড়ানো হয়েছে; ২০০৯ সালের পর এই প্রথম।

ফসল

সার বিক্রিতে ডিলারের কমিশন বাড়িয়েছে সরকার। ইউরিয়া, ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি), ডায়ামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) ও মিউরিয়েট অব পটাশ (এমওপি) সারের ক্ষেত্রে ডিলারদের কমিশন প্রতি কেজিতে দুই টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন টাকা করা হয়েছে। তবে কৃষক পর্যায়ে এসব সারের বিক্রয়মূল্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সোমবারের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার অর্থ বিভাগের জারি করা আদেশে ডিলার পর্যায়ের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পরিবর্তন ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার ব্যবস্থাপনা ও পরিবীক্ষণ শাখার কৃষি অর্থনীতিবিদ শাহনাজ আক্তার বলেন, ২০০৯ সালের পর থেকে ডিলারদের কমিশন বাড়ানো হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে ডিলাররা কমিশন বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন; তাঁদের মূল যুক্তি ছিল সার পরিবহন, লোডিং ও আনলোডিংয়ের খরচ বেড়ে যাওয়া।

নতুন কাঠামোয় ডিলার পর্যায়ে ইউরিয়ার দাম প্রতি কেজি ২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২৪ টাকা করা হয়েছে; কৃষক পর্যায়ে দাম আগের মতোই ২৭ টাকা থাকছে। ডিএপির ডিলার পর্যায়ের দাম ১৯ থেকে কমে ১৮ টাকা, কৃষকের জন্য ২১ টাকা। টিএসপির ডিলার পর্যায়ের দাম ২৫ থেকে কমে ২৪ টাকা, কৃষক পর্যায়ে ২৭ টাকা। এমওপির ডিলার পর্যায়ের দাম ১৮ থেকে কমে ১৭ টাকা, কৃষকের জন্য ২০ টাকা।

অর্থাৎ চার ধরনের সারেই ডিলার পর্যায়ের দাম কেজিতে এক টাকা করে কমানো হয়েছে, আর কৃষক পর্যায়ের দাম অপরিবর্তিত থাকায় ডিলারদের কমিশন কেজিতে এক টাকা বাড়ছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, কমিশন বাড়ানোর অন্যতম কারণ গত কয়েক বছরে সার পরিবহন ও ব্যবস্থাপনার ব্যয় বৃদ্ধি। তবে একই সঙ্গে বাজারে সরবরাহ ঠিক রাখা এবং কৃষক পর্যায়ে নির্ধারিত দামে সার বিক্রি নিশ্চিত করাও জরুরি।

সার ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিন ধরে ডিলার নিয়োগ, মজুত, পরিবহন ও বিতরণ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে সংকটের সময় নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ ওঠে।

সূত্র: সমকাল (সমকাল প্রতিবেদক)

সমকালদা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

মাত্রাছাড়া সার-কীটনাশকে নষ্ট হচ্ছে মাটির স্বাস্থ্য, কৃষককে সতর্ক করার আহ্বান

রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারে মাটির স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

মণপ্রতি ৭০০ টাকাতেও ক্রেতা নেই, গোলাভরা ধান নিয়ে বিপাকে হাওরের কৃষক

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের প্রায় চার লাখ কৃষক ধানের দাম না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন; গত বছরের তুলনায় মণপ্রতি দর নেমেছে কয়েকশ টাকা।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()