খামারে জন্মানো মানুষের মতোই কৃষির দরকার তাঁদেরও, যাঁরা খামারে জন্মাননি, ফার্মার্স উইকলির এক কলামে এমন যুক্তি দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের তরুণ মেষপালক জেস টিলি-মুর। মতামত লেখকের নিজস্ব।
টিলি-মুর খামারে বড় হননি, খামার উত্তরাধিকারেও পাননি। ১৭ বছর বয়সে ভেটেরিনারি নার্সিং পড়তে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের সুবিধার জন্য অল্প কিছুদিন ভেড়ার বাচ্চা প্রসবের মৌসুমে কাজ নিয়েছিলেন। এক মৌসুম দুই মৌসুমে গড়ায়, সপ্তাহান্তের কাজ পূর্ণকালীন চাকরিতে, আর তিনি বুঝতে পারেন কৃষিতেই পেশা গড়তে চান।
তিনি লিখেছেন, অনেকে এখনো মনে করেন ‘আসল’ কৃষকের রক্তেই কৃষি থাকতে হয়, খামারের গেটে পরিবারের নাম থাকলে আরও ভালো। নতুনদের বারবার নিজেদের প্রমাণ করতে হয়, আর শেষে কেউ জিজ্ঞেস করে, পরিবারের খামার আছে কি না। তরুণ, নারী এবং কৃষির বাইরের পরিবার থেকে আসা মানে কখনো কখনো এমন এক অনুষ্ঠানে পৌঁছানো, যেখানে সবাই সবাইকে আগে থেকেই চেনে।
তিন বছরের নানা বাধা পেরিয়ে এখন তাঁর নিজের নিবন্ধিত গ্রেফেস ডার্টমুর জাতের ভেড়ার পাল আছে; তাঁর ভাষায় এটি কৃষি সাম্রাজ্য নয়, কিন্তু তাঁর নিজের। ভেড়াগুলো তাঁকে যেকোনো পাঠ্যবইয়ের চেয়ে বেশি শিখিয়েছে: একটি মা ভেড়া চায় তার সামান্য অসুস্থতা আপনি খেয়াল করুন, একটি বাচ্চা চায় রাত দুটোয় আপনি পাশে থাকুন; আপনি কোথা থেকে এসেছেন বা কী সনদ আছে, তাতে তাদের কিছু যায় আসে না।
তাঁর উপসংহার, শেখার আগ্রহ আর লেগে থাকার জেদ পারিবারিক পরিচয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিত, আর কৃষির এই নতুন মানুষদের প্রয়োজন।
ছবি: Amanda Slater / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Farmers Weekly





মন্তব্য
(০)