ভাইয়ের খামারে দেরিতে ও ভেজা আবহাওয়ায় ফসল কাটতে গিয়ে গর্ড গিলমোর দেখেছেন, খামারগুলো কতটা নানা জনের জোড়াতালি দেওয়া সাহায্যের ওপর নির্ভর করে, আর কৃষিশ্রমিকের ঘাটতি কত বড়; কানাডার ম্যানিটোবা কো-অপারেটরের এক কলামে তিনি এ কথা লিখেছেন। মতামত লেখকের নিজস্ব।
নিজেকে ৫৭ বছর বয়সী ‘কি-বোর্ডের মানুষ’ বলা গিলমোর সাহায্য করতে বাড়ি ফিরে প্রায় তাঁর বাড়ির সমান কম্বাইন হারভেস্টার চালিয়েছেন ১৫-১৬ ঘণ্টার দিনে, আর্দ্রতায় কাজ ধীর হলে ‘ছোট’ ১০-১২ ঘণ্টার দিনে। বসন্তের কাজ তাঁর ভাই ও একজন ভাড়া করা কর্মী সামলাতে পারেন; কঠিন হলো ফসল কাটা।
দলটি ছিল মিশ্র: মূল ভরসা ভাই ও সেই কর্মী; ৮৭ থেকে ৮৮-তে পা দেওয়া বাবা শুধু দিনের আলোয় ফসল শুইয়ে কেটেছেন; এক জমির মালিকের নাতি অভিজ্ঞতা নিচ্ছেন; কর্মীর স্বামী, এক মিলরাইট, পালার ফাঁকে ট্রাক চালিয়েছেন; জ্বালানি পৌঁছে দেওয়া এক চালক, ছুটি নিয়ে আসা পুরোনো বন্ধু; আর সবার খাওয়া ও সমন্বয় সামলেছেন মা, ভাগনি ও এক পারিবারিক বন্ধু। সেরা পরামর্শ পেয়েছেন সেই কর্মীর কাছে: সবচেয়ে দ্রুত চালক হওয়ার দরকার নেই, ঘণ্টার পর ঘণ্টা কম্বাইন নির্ভরযোগ্যভাবে চালু রাখাই আসল। তাঁর নিজের নিয়ম ছিল, বোকামি বা বিপজ্জনক কিছু করতে দেখলেই যেন সঙ্গে সঙ্গে থামিয়ে দেওয়া হয়।
তিনি লিখেছেন, একটি গ্রাম লাগে, আর এটাই দেশজুড়ে খামারগুলোর শ্রমিক সংকট স্পষ্ট করে। শহরের বন্ধুদের, যাঁদের কেউ কেউ অভিজ্ঞ কারিগর, এ কাজের কথা বললে অনেকে বলেন, তাঁরা সব সময় এটা করে দেখতে চেয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, কৃষিকে সম্মান করেন কিন্তু কখনো সুযোগ পাননি এমন মানুষের কোনো অব্যবহৃত শ্রমশক্তি কি আছে; মাঝেমধ্যে এই ‘গ্রাম’ বড় করা গেলে ভালো হতো।
ছবি: Bryan Wittal / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: ম্যানিটোবা কো-অপারেটর





মন্তব্য
(০)