রেকর্ডের পঞ্চম শুষ্কতম এপ্রিল-সেপ্টেম্বরের পর ৯ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের ইয়র্কশায়ারে খরা ঘোষণা করেছে এনভায়রনমেন্ট এজেন্সি। মধ্য, দক্ষিণ ও পূর্ব ইংল্যান্ডের পর ইয়র্কশায়ারও খরার তালিকায় এল, আর উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিমে দীর্ঘ শুষ্ক আবহাওয়া চলছে। ২০২২ ও ২০২৫ সালের পর পাঁচ বছরে এটি ইংল্যান্ডের তৃতীয় খরা।
৬ অক্টোবর পর্যন্ত সপ্তাহে ইংল্যান্ডের জলাধারগুলোতে ধারণক্ষমতার ৫৪ শতাংশ পানি ছিল, মৌসুমি গড়ের চেয়ে ২১ শতাংশ কম। ইয়র্কশায়ারে গ্রিমউইথে ৪৪.৩, স্কার হাউসে ৩৫.৮, থ্রাসক্রসে ৩৩.৯ ও ল্যাংসেটে ২৩.৩ শতাংশ। গবেষণা বলছে, পুরো ইংল্যান্ডকে খরামুক্ত করতে সাত মাস দীর্ঘমেয়াদি গড়ের ১২০ শতাংশ বৃষ্টি লাগবে।
এখন আবহাওয়া অফিস (মেট অফিস) ভেজা ও ঝোড়ো শরতের বাড়তি সম্ভাবনা দেখছে। শুষ্ক মাসগুলোতে শক্ত হয়ে যাওয়া বা পানি শোষণ না করা মাটিতে ভারী বৃষ্টি হলে পানি মাটিতে না ঢুকে গড়িয়ে যায়, সঙ্গে মাটি ও পুষ্টি উপাদান খাল-নদীতে চলে যায়।
কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে: লাইসেন্সের শর্ত দেখে এনভায়রনমেন্ট এজেন্সির সাময়িক ছাড় কাজে লাগান, যার আওতায় ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত যোগ্য লাইসেন্সধারীরা নির্ধারিত সময়ের বাইরেও পানি তুলে পরে স্প্রে বা ড্রিপ সেচের জন্য জলাধার ভরতে পারবেন; ভারী বৃষ্টির আগে নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখুন, তবে অন্যত্র বন্যার ঝুঁকি না বাড়িয়ে; আচ্ছাদন ফসল দিয়ে মাটি রক্ষা করুন; আর গোবর বা স্লারি ছিটানোর আগে মাঠের অবস্থা দেখে নিন।
এনএফইউ, আবহাওয়া অফিস ও এনভায়রনমেন্ট এজেন্সিসহ ৫০টির বেশি সংস্থা নিয়ে নতুন বন্যা ও খরা সহনশীলতা টাস্কফোর্সের প্রথম বৈঠক ১৪ অক্টোবর। ২০২৬-২৭ সালে বন্যা প্রতিরক্ষায় সরকার ১৪০ কোটি পাউন্ড খরচ করছে এবং কৃষকদের সহনশীলতা বাড়াতে ৬ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পানিমন্ত্রী এমা হার্ডি বলেন, সাম্প্রতিক বৃষ্টি বসন্ত ও গ্রীষ্মে খরচ হওয়া পানি পূরণে যথেষ্ট নয়।
ছবি: Peter Bond / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Farmers Weekly




মন্তব্য
(০)