সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৬ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

অক্টোবরে বিশ্বে খাদ্যের দাম কমেছে, তবে চিনির দাম বাড়ল টানা চতুর্থ মাসে

এফএওর খাদ্য মূল্যসূচক অক্টোবরে গড়ে ১৩৩.৯ পয়েন্টে নেমেছে, যা সেপ্টেম্বরের চেয়ে ১.২ শতাংশ কম। আমদানি চাহিদা দুর্বল থাকায় দানাশস্য, দুগ্ধ ও মাংসের দাম পড়েছে।

অক্টোবরে বিশ্বে খাদ্যের দাম কমেছে, তবে চিনির দাম বাড়ল টানা চতুর্থ মাসে
বাজার ব্যবস্থাপনা

আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রেতারা হাত গুটিয়ে রাখায় অক্টোবরে খাদ্যের দাম কিছুটা কমেছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) শুক্রবার জানিয়েছে, তাদের খাদ্য মূল্যসূচকের গড় দাঁড়িয়েছে ১৩৩.৯ পয়েন্ট, সংশোধিত সেপ্টেম্বরের চেয়ে ১.৬ পয়েন্ট বা ১.২ শতাংশ কম। তবে সূচকটি এক বছর আগের চেয়ে এখনও ৫.৯ শতাংশ বেশি, আর ২০২২ সালের মার্চের সর্বোচ্চ অবস্থানের চেয়ে ১৬.৪ শতাংশ নিচে।

পতনের মূল কারণ দানাশস্য। এই সূচক কমেছে ৪.৫ শতাংশ। টানা চার মাস বাড়ার পর গমের দাম পড়েছে, কারণ চাহিদা কম, আর্জেন্টিনায় ফলনের সম্ভাবনা ভালো এবং কৃষ্ণসাগর দিয়ে চালান সহজ হওয়ার আশা তৈরি হয়েছে। সেপ্টেম্বরে তিন বছরের সর্বোচ্চে ওঠা ভুট্টার দামও নেমেছে। চাল চলেছে উল্টো পথে: ফসল তোলায় দেরি, খারাপ আবহাওয়া ও খরচ বাড়ায় চালের সূচক বেড়েছে ১.৬ শতাংশ।

মাংসের সূচক কমেছে ১.২ শতাংশ; শূকর, ভেড়া ও গরুর মাংসের দাম পড়লেও মুরগির দাম মোটামুটি একই আছে। মাখন ও পনিরের দাম কমায় দুগ্ধের সূচক কমেছে ১.১ শতাংশ, যদিও গুঁড়া দুধের দাম বেড়েছে। ভোজ্যতেলের সূচক বেড়েছে সামান্য, ০.৩ শতাংশ। জৈবজ্বালানি শিল্পের চাহিদায় সয়াবিন তেলের দাম ২০২২ সালের শেষ দিকের পর সবচেয়ে বেশি হয়েছে।

সবচেয়ে বড় উত্থান চিনির। মাসের ব্যবধানে এর সূচক বেড়েছে ৬.৬ শতাংশ, গত অক্টোবরের চেয়ে ২৮.৮ শতাংশ বেশি, আর এটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের পর সর্বোচ্চ। এফএও বলছে, ব্রাজিলের প্রধান আখ অঞ্চলে বৃষ্টিতে কাটা ও মাড়াই ব্যাহত হয়েছে। সঙ্গে ২০২৬/২৭ মৌসুমে ভারত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও থাইল্যান্ডের উৎপাদন নিয়েও শঙ্কা আছে।

সামনের দিনের পূর্বাভাসও জানিয়েছে সংস্থাটি। ২০২৬ সালে বিশ্বে দানাশস্য উৎপাদন ধরা হয়েছে ২৯৯ কোটি ৯০ লাখ টন, যা ২০২৫ সালের রেকর্ডের চেয়ে কম হলেও ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। চার মৌসুমের মধ্যে এই প্রথম চালের উৎপাদন কমতে যাচ্ছে: ২.৫ শতাংশ কমে ৫৫ কোটি ২০ লাখ টন। কারণ চাষির কম লাভ এবং এল নিনো-সংশ্লিষ্ট বৈরী আবহাওয়া। ২০২৬/২৭ মৌসুমে দানাশস্যের বাণিজ্য ৩.৩ শতাংশ কমে ৫০ কোটি ৭৭ লাখ টনে নামতে পারে, এর মধ্যে গমের বাণিজ্য কমবে ৮.৬ শতাংশ।

মজুত অবশ্য স্বস্তিদায়ক থাকবে বলে ধারণা; মজুত ও ব্যবহারের অনুপাত ধরা হয়েছে ৩২.৪ শতাংশ। দরিদ্র দেশগুলোর ছবি কঠিন। এফএওর হিসাবে ৪১টি দেশ ও অঞ্চলের বাইরের খাদ্য সহায়তা দরকার, এর ৩১টিই আফ্রিকায়। তীব্র ক্ষুধার প্রধান কারণ এখনও সংঘাত, আর এল নিনোর ক্ষতি ২০২৭ সালেও কয়েকটি অঞ্চলের ফসলে থাকবে বলে আশঙ্কা।

দক্ষিণ এশিয়ার ভাতনির্ভর দেশগুলোর জন্য বার্তাটি স্পষ্ট: এফএও ২০২৬ সালে চালের উৎপাদন কমার পূর্বাভাস দিচ্ছে, আর অক্টোবরেই চালের দাম বেড়েছে।

ছবি: Charles Knowles / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)

সূত্র: এফএও নিউজরুম

এফএও নিউজরুমসূত্র

বাজার ব্যবস্থাপনা

সম্পর্কিত খবর

ফসল

যুক্তরাষ্ট্রে চিনাবাদামের উৎপাদন কমছে ২৫ লাখ ৬০ হাজার টনে, মজুত রেকর্ড

কম দামের চুক্তিতে চাষিরা আবাদ কমিয়েছেন, গরম ও খরায় ফলনের আশাও কমেছে। অন্যদিকে পিনাট বাটার ও স্ন্যাকসের চাহিদা কমায় মজুত রয়ে গেছে বেশি।

Farms.com৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

দামের দাবিতে মিচোয়াকানে অ্যাভোকাডো তোলা বন্ধ, মার্কিন বাজারে টান

খামার পর্যায়ে ন্যূনতম দাম ও একটি ডিজিটাল নজরদারি প্ল্যাটফর্ম বদলের দাবিতে ২৩ অক্টোবর থেকে ফল তোলা বন্ধ রেখেছেন ছোট চাষিরা।

গ্লোবাল এগ্রিকালচার৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

রাষ্ট্রীয় সহায়তায় পিছিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষক: গড় ১৩%, তারা পান ৩.১%

ওইসিডি প্রতিবেদন বলছে, ২০২৫ সালে বিশ্বে কৃষি সহায়তা ৯৫০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যার প্রায় অর্ধেক বাণিজ্যে সবচেয়ে বেশি বিকৃতি ঘটানোর মতো ব্যবস্থায়।

ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)