মেক্সিকোর প্রধান অ্যাভোকাডো উৎপাদন এলাকা মিচোয়াকানে (Michoacán) ২ নভেম্বর পর্যন্তও ফল তোলা বন্ধ ছিল। খামার পর্যায়ে দাম নিয়ে বিরোধে এক সপ্তাহের বেশি আগে কাজ বন্ধ করেন চাষিরা। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতাদের মজুত কমছে, খরচ বাড়ছে।
ছোট চাষিদের সংগঠন প্রোদুক্তোরেস উনিদোস দে আগুয়াকাতে ২৩ অক্টোবর এই কর্মসূচি ডাকে। তাদের দাবি, কেজিপ্রতি ৩৫ থেকে ৪৫ মেক্সিকান পেসো (প্রায় ১.৮৬ থেকে ২.৩৯ ডলার) ন্যূনতম দাম, অন্য রাজ্যের ফলের প্রতিযোগিতা থেকে সুরক্ষা এবং ভেলাগ্রো (VELAGRO) নামের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পরিবর্তন। চাষিদের অভিযোগ, অক্টোবরের শুরুতে চালু হওয়া এই ব্যবস্থা জটিল ও ব্যয়বহুল।
রাজ্য সরকার ও উৎপাদক-রপ্তানিকারকদের সংগঠন এপিয়ামের (APEAM) সঙ্গে দুই দফা বৈঠকেও সমাধান আসেনি। এপিয়াম বলছে, তারা দাম ঠিক করে না। রপ্তানির জন্য ফল সনদ দেওয়া সংস্থার স্থানীয় কার্যালয়ও চাষিদের সংগঠন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া অ্যাভোকাডোর ৯০ শতাংশ পর্যন্ত আসে মিচোয়াকান থেকে। কর্মসূচি শুরুর সময় হিমাগারে আনুমানিক ৫ কোটি ৬০ লাখ থেকে ৫ কোটি ৮০ লাখ পাউন্ড ফল ছিল, আর যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক চাহিদা প্রায় ৫ কোটি পাউন্ড। সড়ক অবরোধে প্যাকিং কেন্দ্রে ফল পৌঁছানোও ধীর হয়েছে।
সরবরাহ সেবা প্রতিষ্ঠান মারকন কো-অপারেটিভ ২ নভেম্বর জানায়, চাষিরা কাজে ফিরবেন এমন কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা নেই। পাশের হালিস্কো (Jalisco) রাজ্যে অবশ্য ফল তোলা চলছে। প্রতিষ্ঠানটির ধারণা, কাজ শুরু হলেও মার্কিন বাজারে দাম আগের জায়গায় ফিরবে না, কারণ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।
ছবি: B.navez / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Global Agriculture


মন্তব্য
(০)