নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার সাতজান গ্রামের কৃষি উদ্যোক্তা মনিরুজ্জামান ৪ বিঘা জমিতে মাল্টা, কমলা ও মৌসুমি সবজি চাষ করছেন। সব খরচ বাদে বছরে তাঁর নিট লাভ প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা।
সবজিতে তিনি অনুসরণ করছেন মালচিং পদ্ধতি। জমির বেড বিশেষ পলিথিনে ঢেকে চাষ করলে মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখা, আগাছা নিয়ন্ত্রণ ও পরিচর্যার খরচ কমানো সহজ হয়। স্প্রিংকলার সেচে বৃষ্টির মতো পানি ছিটিয়ে দেন, এতে পানির সুষম ব্যবহার হয় এবং সেচের শ্রমও কমে।
২৫০টি মাল্টা গাছের বাগান দিয়ে শুরু করে পরে কমলা যোগ করেন। ২০২৫ সালে বাগানের ফাঁকা জায়গায় শুরু করেন মালচিংয়ে মৌসুমি সবজি। বছরে চার দফায় শসা চাষ তাঁর আয়ে বাড়তি মাত্রা দিয়েছে। একটি ফসলের মৌসুম শেষ হলে আরেকটি থেকে আয় আসে, ফলে একক ফসল নির্ভরতার ঝুঁকি কমেছে।
এখন বাগানের মাল্টা প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা আর কমলা প্রায় ১৫০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। শসা ও অন্যান্য সবজি থেকেও নিয়মিত আয় আসছে।
বাগান করার সময় কৃষি বিভাগ থেকে মাল্টার চারা, সার ও অন্যান্য উপকরণ পেয়েছেন তিনি, সঙ্গে পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা। ডিমলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না বলেন, মালচিং ও আধুনিক সেচ তাঁর উৎপাদন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করেছে, আর এলাকার অন্য কৃষকদেরও এমন চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
সূত্র: কৃষি সময়


মন্তব্য
(০)