সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৬ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৩%বাতাস ১০ কিমি/ঘ

মালচিং ও স্প্রিংকলার প্রযুক্তিতে ৪ বিঘায় মাল্টা-কমলা-শসা, ডিমলার মনিরুজ্জামান

বাগানের ফাঁকে বছরে চার দফা শসা; মালচিংয়ে আগাছা কমে, স্প্রিংকলারে পানি ও শ্রম বাঁচে, খরচ বাদে বছরে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা লাভের কথা জানা গেছে।

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার সাতজান গ্রামের কৃষি উদ্যোক্তা মনিরুজ্জামান ৪ বিঘা জমিতে মাল্টা, কমলা ও মৌসুমি সবজি চাষ করছেন। সব খরচ বাদে বছরে তাঁর নিট লাভ প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা।

সবজিতে তিনি অনুসরণ করছেন মালচিং পদ্ধতি। জমির বেড বিশেষ পলিথিনে ঢেকে চাষ করলে মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখা, আগাছা নিয়ন্ত্রণ ও পরিচর্যার খরচ কমানো সহজ হয়। স্প্রিংকলার সেচে বৃষ্টির মতো পানি ছিটিয়ে দেন, এতে পানির সুষম ব্যবহার হয় এবং সেচের শ্রমও কমে।

২৫০টি মাল্টা গাছের বাগান দিয়ে শুরু করে পরে কমলা যোগ করেন। ২০২৫ সালে বাগানের ফাঁকা জায়গায় শুরু করেন মালচিংয়ে মৌসুমি সবজি। বছরে চার দফায় শসা চাষ তাঁর আয়ে বাড়তি মাত্রা দিয়েছে। একটি ফসলের মৌসুম শেষ হলে আরেকটি থেকে আয় আসে, ফলে একক ফসল নির্ভরতার ঝুঁকি কমেছে।

এখন বাগানের মাল্টা প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা আর কমলা প্রায় ১৫০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। শসা ও অন্যান্য সবজি থেকেও নিয়মিত আয় আসছে।

বাগান করার সময় কৃষি বিভাগ থেকে মাল্টার চারা, সার ও অন্যান্য উপকরণ পেয়েছেন তিনি, সঙ্গে পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা। ডিমলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না বলেন, মালচিং ও আধুনিক সেচ তাঁর উৎপাদন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করেছে, আর এলাকার অন্য কৃষকদেরও এমন চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

সূত্র: কৃষি সময়

কৃষি সময়সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

ফুলবাড়ীতে দুই গাছে হাজার আনারকলি, ফ্রিল্যান্সার রিপনের নতুন চাষ

কক্সবাজার থেকে ৯০০ টাকায় আনা দুটি চারায় সাত মাসে ফল; প্রতিটি ৫০ টাকা, ৩০০টির বেশি চারাও তৈরি করেছেন দিনাজপুরের এই উদ্যোক্তা।

আমার দেশ৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ছাদকৃষি

একটি ফুল না পাওয়ার জেদ, জামালপুরের ছাদে এখন ১২০ ধরনের ফল-ফুলের গাছ

প্লাস্টিকের ড্রাম কেটে ১,৬০০ বর্গফুটের ছাদে প্রায় ৭০ ধরনের ফলদ ও ৫০ ধরনের ফুলগাছের বাগান করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী তানজিদ ইসলাম।

প্রথম আলো৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

দামের দাবিতে মিচোয়াকানে অ্যাভোকাডো তোলা বন্ধ, মার্কিন বাজারে টান

খামার পর্যায়ে ন্যূনতম দাম ও একটি ডিজিটাল নজরদারি প্ল্যাটফর্ম বদলের দাবিতে ২৩ অক্টোবর থেকে ফল তোলা বন্ধ রেখেছেন ছোট চাষিরা।

গ্লোবাল এগ্রিকালচার৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)