যুক্তরাষ্ট্রের ফিডলটে আসা গবাদিপশুর মধ্যে যেগুলোর ওজন সবচেয়ে কম, শ্বাসতন্ত্রের রোগের ঝুঁকিও তাদেরই বেশি। মার্কিন কৃষি বিভাগের প্রাণী ও উদ্ভিদ স্বাস্থ্য পরিদর্শন সংস্থা এপিআইএসের নতুন প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে। ২০২০ সালের হিসাবে সার্বিকভাবে ১২.২ শতাংশ গবাদিপশু এ রোগে ভুগেছে।
ফিডলট ২০২১ সমীক্ষার এটি দ্বিতীয় প্রতিবেদন, আর এই খাত নিয়ে সংস্থাটির ন্যাশনাল অ্যানিমেল হেলথ মনিটরিং সিস্টেমের পঞ্চম জাতীয় সমীক্ষা। এতে ২২টি অঙ্গরাজ্যের ৫০ বা তার বেশি পশুর ফিডলট ধরা হয়েছে।
আসার সময় ৪০০ পাউন্ডের কম ওজনের গবাদিপশুর ২৫.৯ শতাংশ রোগে পড়েছে, ৭০০ পাউন্ড বা তার বেশি ওজনের ক্ষেত্রে হার ৯.৬ শতাংশ। বড় ফিডলটে এই ব্যবধান আরও বেশি, ৩১ শতাংশ বনাম ১০.৪ শতাংশ। ছোট ফিডলটে ওজনভেদে কোনো পার্থক্য মেলেনি।
আসার চার সপ্তাহের মধ্যে দলবেঁধে টিকা ও অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ৭৫.৯ শতাংশ ফিডলটে। এদের বেশিরভাগ সব পশুকে শ্বাসতন্ত্রের রোগের (৮৭.৬ শতাংশ), বোভাইন ভাইরাল ডায়রিয়ার (৮০.৮ শতাংশ) ও ক্লস্ট্রিডিয়াল রোগের (৭০.১ শতাংশ) টিকা দিয়েছে। ৮৩.৭ শতাংশ সব পশুকে পরজীবীনাশক দিয়েছে।
অ্যান্টিবায়োটিকের হিসাবে ৯০.২ শতাংশ ফিডলট অন্তত একটি পশুতে তা ব্যবহার করেছে। ইনজেকশন বা বোলাস আকারে দিয়েছে ৮৩.৭ শতাংশ, খাবারের সঙ্গে ৬৯.৯ শতাংশ, পানিতে ৫.৯ শতাংশ। ইনজেকশনের ওষুধ বাছতে পশুচিকিৎসকের পরামর্শ (৮২.৪ শতাংশ), নিজের অভিজ্ঞতা (৮৩.৭ শতাংশ) ও ওষুধের কার্যকাল (৬২.৪ শতাংশ) গুরুত্ব পেয়েছে।
লিখিত বা ইলেকট্রনিক জীবনিরাপত্তা পরিকল্পনা আছে বড় ফিডলটের ৩০.৩ শতাংশে, ছোটগুলোর মাত্র ৫.৬ শতাংশে। স্বস্তির দিক হলো, ৯১.৮ শতাংশ ফিডলটের অন্য খামারের পশুর সঙ্গে নাকে নাক লাগার মতো সীমানা নেই। এসব ফিডলট থেকে তেমন নিকটতম খামারের গড় দূরত্ব ১.৭ মাইল।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন দ্য ক্যাটল সাইটের মেলানি এপ (Melanie Epp)।
ছবি: Preston Keres/USDA/FPAC / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: The Cattle Site





মন্তব্য
(০)