দুধের দাম পড়ছে, অথচ গরুর খাবারের খরচ বাড়ছে। এই দুই চাপে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দুগ্ধখামারিদের লাভের অঙ্ক ছোট হয়ে আসছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের বৈদেশিক কৃষি সেবা (এফএএস) জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে শিল্পে তৈরি পশুখাদ্যের খরচ আগের বছরের জুলাইয়ের চেয়ে ২৬ শতাংশ বেশি ছিল।
দানাশস্য ও তেলবীজের মিশ্রণ ধরে করা ইউরোপীয় কমিশনের এই হিসাবে খরচ বাড়ছে ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকেই।
২০২৫ সালে সারের কম দাম খামারিদের কিছুটা সহায়তা দিয়েছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের মার্চে শুরু হওয়া মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে বসন্তের মাঠের কাজের সময় রাসায়নিক সারের জোগান কমে দাম বেড়ে যায়। সেই সমস্যা শরতের বপনেও গড়িয়েছে।
মার্চ থেকেই তেলের দাম উঁচুতে, জুলাইয়ে তা আরও লাফিয়ে বেড়েছে, ফলে জ্বালানি ও বিদ্যুতের খরচও চড়া। এফএএসের ভাষ্য, এই বাড়তি খরচ খামারিদের মুনাফার ওপর ভার হয়ে বসেছে।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন দ্য ক্যাটল সাইটের মেলানি এপ (Melanie Epp)।
ছবি: Martin Abegglen / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: The Cattle Site





মন্তব্য
(০)