যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানায় রাষ্ট্রীয় ইজারা জমিতে গরুর বদলে বাইসন চরানোর প্রস্তাবে উল্লেখযোগ্য পরিবেশগত ক্ষতির আশঙ্কা দেখছে না অঙ্গরাজ্যের প্রাকৃতিক সম্পদ ও সংরক্ষণ দপ্তর (ডিএনআরসি)। তবে বাইসন বেড়া ভেঙে পালানো এবং মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে তারা।
প্রস্তাবটি আমেরিকান প্রেইরি ফাউন্ডেশনের (American Prairie Foundation)। ফিলিপস কাউন্টির ৬৪০ একরের স্টেট লিজ ৬৭৩২-এ তারা গরু ও বাইসন মিলিয়ে চরাতে চায়। পশুর চাপের সীমা ১২০ অ্যানিমেল ইউনিট মান্থই থাকবে। দপ্তরের মতে, চারণভূমি নষ্ট হয় মূলত খারাপ ব্যবস্থাপনা ও অতিরিক্ত পশুর চাপে, পশুর ধরনে নয়।
সবচেয়ে বেশি নজর পড়েছে পশু আটকে রাখার ওপর। সংস্থাটির নিজের হিসাবে ২০২০ সালে ১৮ বার, ২০২১ সালে ১১ বার ও ২০২২ সালে ৬ বার বাইসন পালিয়েছে। একই সময়ে গরুর অনুপ্রবেশ ছিল ৬, ৬ ও ২ বার। কোনো কোনো ঘটনায় পশু দীর্ঘদিন বাইরে থেকেছে, আকাশপথে সাহায্য লেগেছে, কিছু পশু মেরেও ফেলতে হয়েছে।
অনুমোদন পেলে বেড়া রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়মিত নজরদারি, পালানো পশু দ্রুত ধরা এবং প্রতিটি ঘটনার হিসাব রাখা বাধ্যতামূলক হবে। প্রবেশপথ ও ফটকে সতর্কবার্তা বসবে, কারণ প্রজনন মৌসুমে কিংবা নবজাতক বাছুর আগলে রাখার সময় বাইসন ঘুরতে আসা মানুষের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।
পুরো প্রকল্প এলাকায় প্রায় ২.৯ মাইল নতুন বেড়া, ৯.৮ মাইল পুনর্নির্মাণ ও বিদ্যুতায়ন, প্রায় ১৫ মাইল রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রায় ৫.২ মাইল বেড়া সরানোর প্রস্তাব আছে। দপ্তরের মতে এতে বন্যপ্রাণীর উপকার হতে পারে, আর মাটির উৎপাদনশীলতা, পানির মান, জলাধার বা বাতাসে পরিমাপযোগ্য প্রভাব পড়বে না।
তবে এই মূল্যায়নই অনুমতি নয়। চরানো ও বেড়ার কাজ শুরু করতে অঙ্গরাজ্যের ট্রাস্ট জমির আইনে আলাদা অনুমোদন লাগবে। ফেডারেল জমিতে সংস্থাটির বাইসন চরানোর বৈধতা বা বড় আকারের সংরক্ষণ পালের প্রভাবও দপ্তর যাচাই করেনি।
প্রতিবেদনটি নর্দান অ্যাগ নেটওয়ার্কের, নাম রয়েছে অ্যান্ডি শোয়াবের (Andy Schwab)।
ছবি: Brian Greenblatt / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Northern Ag Network




মন্তব্য
(০)