যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত তাজা আপেলের প্রতি চারটির একটি ২০০০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা ইআরএসের (ERS) একটি চার্ট অব নোট এ তথ্য দিয়েছে। প্রতিবছর তাজা উৎপাদনের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বিদেশে বিক্রি হয়, যা বিদেশি চাহিদার স্থিতিশীলতা দেখায়।
২০২৬ সালের জুলাইয়ে শেষ হওয়া ২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্রের তাজা আপেল রপ্তানি ছিল ১৮৭ কোটি পাউন্ড, যা ৭৩০ কোটি পাউন্ড তাজা ব্যবহৃত উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানির মূল্য রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
রপ্তানির পরিমাণে শীর্ষে মেক্সিকো (৩৯ শতাংশ) ও কানাডা (১৮ শতাংশ)। এরপর তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র ও ভারত। প্রতিটি বাজারের পছন্দের জাত আলাদা। ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের কৃষি বিভাগের চালানের তথ্য অনুযায়ী, তাইওয়ানে গেছে মূলত ফুজি, ভিয়েতনামে কসমিক ক্রিস্প, গালা ও এনভি, আর ভারতে প্রধানত রেড ডেলিশাস।
বিশ্ববাজারে আপেল রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও চীনের পরে। চার্টটি তৈরি হয়েছে ইআরএসের সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর ফল ও বাদাম পূর্বাভাস প্রতিবেদন থেকে।
দক্ষিণ এশিয়ার দৃষ্টিতে তথ্যটি জানাচ্ছে, মার্কিন আপেলের নির্দিষ্ট গন্তব্যের তালিকায় এখন ভারতও আছে, আর সেখানে চাহিদা মূলত রেড ডেলিশাস জাতের, যা ভারতের পাহাড়ি বাগানেও চাষ হয়।
সূত্র: ers_usda





মন্তব্য
(০)