ফলআগাম ফলন আর চীনের বাজার খোলায় দেরি, দক্ষিণ আফ্রিকার চেরি রপ্তানি ৩০% কমতে পারে
রেকর্ড ফলনের মৌসুমের পর এবার তাপপ্রবাহ, ঠান্ডা হাওয়া এবং চীনে রপ্তানির অসম্পূর্ণ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় চেরিচাষিদের সামনে অনিশ্চয়তা।
ফলরেকর্ড ফলনের মৌসুমের পর এবার তাপপ্রবাহ, ঠান্ডা হাওয়া এবং চীনে রপ্তানির অসম্পূর্ণ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় চেরিচাষিদের সামনে অনিশ্চয়তা।
ফলচীনে আম রপ্তানির অনুমোদন মেলে ২০২৪ সালে, কাঁঠালের ২৭ জুলাই; কিন্তু ২০২৫ সালে চীনে আম গেছে ৫ দশমিক ২২ টন, ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত প্রায় ৭০০ কেজি। গুয়াংজু থেকে সমকালের প্রতিবেদন।
ফল২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।
ফলঅ্যাবসার অ্যাগ্রিট্রেন্ডস প্রতিবেদন বলছে, দক্ষিণ আফ্রিকার লেবুজাতীয় ফল রপ্তানি প্রায় ২৫০ কোটি ডলারে পৌঁছালেও বাজার বৈচিত্র্য দরকার; কেপটাউন বন্দরের বিলম্বে টেবিল আঙুরের খাতে ৩০০ কোটি র্যান্ডের বেশি ক্ষতি হয়েছে।
৮ সেপ্টেম্বর বেইজিংয়ে কৃষিমন্ত্রী Willie Aucamp (ভিলি আউকাম্প) ও GACC (জিএসিসি)-র Sun Meijun (সুন মেইজুন)-এর সই করা প্রটোকলে বিশ্বের বৃহত্তম চেরি-আমদানি বাজার, ২০২৫ সালে ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৯০০ টন, ৩৩০ কোটি ডলার, প্রথমবার দক্ষিণ আফ্রিকার চাষিদের জন্য খুলল; দপ্তরের প্রত্যাশা প্রায় ৬০০ নতুন কাজ, আর রপ্
থাইল্যান্ডের এই জাত এখন দেশে বছরে প্রায় এক লাখ টন উৎপাদিত হয়, প্রায় সাত হাজার একরে বাণিজ্যিক চাষ, বিঘায় বছরে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা আয়, আর ফুটপাত থেকে অভিজাত দোকানে কেজি ১৬০ থেকে ২৮০ টাকা।
ফলঢাকার কারওয়ান বাজারে প্রতিদিন আসা ৮ থেকে ১০ টন জামের মধ্যে প্রায় ২ টন থেকে রস বের করা হয়, যা ব্যবসায়ীদের ভাষ্যে জুস প্রস্তুতকারী ও রপ্তানিকারকের কাছে যায়; ফেলে দেওয়া বিচিও এখন গুঁড়া করে বিক্রি হয়।
ফলজেলা প্রশাসনের ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২০২৬ সালের ৫ মে সাতক্ষীরায় গোপালভোগ ও গোবিন্দভোগ আম পাড়া শুরু হয়, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের দশ দিন আগে। বিবিসি বাংলাকে গবেষকরা বলেন, কম অক্ষাংশ, বেশি তাপমাত্রা ও মাটির লবণাক্ততাই আগাম পাকার কারণ; জেলার লক্ষ্য ৭০ হাজার টন উৎপাদন।
ফলজিআই সনদ পাওয়ার দুই মাস পর, ২০২৫ সালের জুনের শেষে শ্রীপুরের ব্যবসায়ীরা জানান, গাজীপুরের কাঁঠাল মধ্যপ্রাচ্যসহ ১৫টি দেশে নিয়মিত যাচ্ছে; তবে হিমাগার, আলাদা ফলের বাজার ও ব্যাংকঋণ না থাকার অভিযোগ করেছেন চাষিরা।