সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৭ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩০°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬৮%বাতাস ৯ কিমি/ঘ

হিসাবের খাতা ঠিক না থাকলে ঋণ নেই: দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষকদের প্রতি পরামর্শ

তিন বছরের আর্থিক বিবরণী, খামারের আলাদা ব্যাংক হিসাব আর পরিষ্কার কর ও ঋণের রেকর্ডই ঋণদাতা ও ক্রেতারা আগে দেখেন, বলছেন এক সূর্যমুখী চাষি ও এক কৃষি অর্থ পরামর্শক।

হিসাবের খাতা ঠিক না থাকলে ঋণ নেই: দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষকদের প্রতি পরামর্শ
এগ্রোবিজ

দক্ষিণ আফ্রিকায় যে কৃষক ব্যাংক ঋণ, মিশ্র তহবিল, সুপারমার্কেটে সরবরাহের চুক্তি বা সরকারি সহায়তা চান, তাঁর জন্য ফসলের মতোই জরুরি হয়ে উঠেছে কাগজপত্র। ফুড ফর মজানসি (Food for Mzansi) প্রকাশিত এক নির্দেশিকায় একজন বাণিজ্যিক সূর্যমুখী চাষি ও একজন কৃষি অর্থ পরামর্শক জানিয়েছেন ঋণদাতারা কী দেখেন, সঙ্গে আছে দেশটির রাজস্ব সংস্থা সার্স (SARS) কৃষির ক্ষেত্রে যে কর নিয়ম মানে তার বিবরণ।

মোলো কনসালটিংয়ের সিবো মোলো (Sibo Molo) বলেন, নিয়ম মানা আসলে ঝামেলা নয়, এটিই ল্যান্ড ব্যাংকের অর্থায়ন, মিশ্র তহবিল, খুচরা সরবরাহ চুক্তি ও সরকারি সহায়তার দরজা খোলে। তাঁর পরামর্শ, কর রিটার্ন বা তহবিলের আবেদনের সময় পুরো বছরের হিসাব নতুন করে না সাজিয়ে প্রতি মাসেই খাতা হালনাগাদ রাখা।

বাণিজ্যিকভাবে সূর্যমুখী চাষ করেন হ্যাপি লেটসিটসা (Happy Letsitsa)। তাঁর মতে, বাণিজ্যিক ঋণদাতার কাছে যাওয়ার আগে কৃষকের হাতে যোগ্য হিসাবরক্ষকের তৈরি গত তিন বছরের বার্ষিক আর্থিক বিবরণী থাকা উচিত। খামারের নিজস্ব ব্যাংক হিসাবও দরকার, যাতে সংসারের খরচ খামারের আসল আয়-ব্যয়ের ছবি ঘোলা না করে।

পরামর্শে আছে সম্পদের একটি হালনাগাদ তালিকা রাখার কথাও: ট্রাক্টর, গাড়ি, যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম ও গবাদিপশু, সঙ্গে সিরিয়াল নম্বর, কেনার তারিখ ও মূল্য, আর নিয়মিত পশু গণনা। আর্থিক বিবরণী, বিমা ও ঋণের আবেদনে, বিশেষ করে ঋণদাতা যখন সম্পদ বিবেচনা করেন, এই তালিকা কাজে আসে।

কর প্রসঙ্গে মোলো জানান, দেশটির আয়কর আইনে কৃষির জন্য আলাদা একটি পুরো তফসিল আছে। সার্সের অনুমোদন ও বৈধ চালান থাকলে নিবন্ধিত কৃষি প্রতিষ্ঠান পশুখাদ্য, পশুর ওষুধ, সার, কীটনাশক, চারা ও বীজের মতো কিছু উপকরণ শূন্য হারে ভ্যাট দিয়ে কিনতে পারে। বারো মাসে কৃষি থেকে ১৫ লাখ র‍্যান্ডের বেশি আয় না হলে ছয় মাস অন্তর ভ্যাট হিসাব দেওয়ার সুযোগ আছে। ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে প্রাথমিক খাতের ব্যবহারকারীরা যোগ্য ডিজেলের পুরোটার ওপর ফেরত দাবি করতে পারছেন, আগে যা ছিল ৮০ শতাংশ, তবে লগবই রাখতে হবে।

কোম্পানি হিসেবে চালানো খামারকে নিবন্ধন সংস্থা সিআইপিসির (CIPC) কাছে বার্ষিক রিটার্ন হালনাগাদ রাখতে হয়, নইলে নিবন্ধন বাতিল হতে পারে। শ্রমিক রাখলে বেকার বিমা, বেতন থেকে কর কাটা ও কর্মক্ষেত্রে আঘাতের ক্ষতিপূরণের দায়ও মানতে হয়। ঋণদাতারা প্রায়ই খামারের পাশাপাশি মালিকের ব্যক্তিগত ঋণের ইতিহাসও দেখেন। লেটসিটসার কথায়, পাওনাদারদের সময়মতো টাকা দিন, ঋণের রেকর্ড ভালো রাখুন, আর খামারের প্রতিটি লেনদেন লিখে রাখুন।

নির্দেশিকাটি লিখেছেন প্যাট্রিসিয়া টেম্বো (Patricia Tembo)। নিজের অবস্থা সার্স বা নিবন্ধিত কর পরামর্শকের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ছবি: Ossewa (দক্ষিণ আফ্রিকার হাইলব্রনের কাছে সূর্যমুখী খেত) / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: Food for Mzansi

ফুড ফর মজানসিসূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

মতামত

উৎপাদন বাড়লেও ফসল নষ্ট হচ্ছে কেন: সংরক্ষণ, পরিবহন আর বাজারের সমন্বয়ের ডাক

জাগো নিউজের এক মতামত লেখায় সমীরণ বিশ্বাস বলছেন, উৎপাদন বাড়লেও সংরক্ষণ, পরিবহন, গ্রেডিং ও বাজারজাতকরণের দুর্বলতায় ফসলের বড় অংশ নষ্ট হচ্ছে বা ন্যায্য দাম পাচ্ছে না; সমাধানে তিনি ছয় দফা সমন্বিত উদ্যোগের কথা বলেছেন।

জাগো নিউজ ২৪২৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

চাঁপাইনবাবগঞ্জে চাহিদার চেয়ে ১৩,৫৩৭ টন সার কম বরাদ্দ, ডিলার পয়েন্টে হট্টগোল

শীতের সবজি, পেঁয়াজ, সরিষা ও ভুট্টার মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সময়মতো সার মিলছে না। কম বরাদ্দ, বিতরণে অনিয়ম আর জমিতে বাড়তি সার প্রয়োগকে কারণ বলছেন কৃষক, ডিলার ও কর্মকর্তারা; উপপরিচালক বলছেন সংকট নেই।

মানবজমিন২৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

পাবনায় মুড়িকাটা পেঁয়াজের আবাদ শুরু, বিঘায় খরচ বেড়েছে ৫-১০ হাজার টাকা

পাবনায় এবার ৮ হাজার ৯৩০ হেক্টরে আগাম মুড়িকাটা পেঁয়াজের লক্ষ্য। বীজ, সার, সেচ ও চাষের খরচ বাড়ায় বিঘায় ৫-১০ হাজার টাকা বেশি লাগছে, ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় চাষিরা।

কৃষি সময়২৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)