যশোরের শার্শা উপজেলা মৎস্য অফিসে ছয়টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে কাজ করছেন মাত্র দুজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীর্ঘদিন চারটি পদ শূন্য থাকায় মাঠপর্যায়ের তদারকি, মাছচাষিদের পরামর্শ এবং সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সমস্যা হচ্ছে বলে জানিয়েছে এগ্রিকেয়ার২৪।
উপজেলায় ৩২টি সরকারি খাস পুকুর ও ৭ হাজার ১৭৩টি ব্যক্তিমালিকানাধীন পুকুর রয়েছে, যেখান থেকে বছরে প্রায় ২৯ হাজার ৬৮৬ দশমিক ৮৬ টন মাছ উৎপাদিত হয়। এত বড় উৎপাদন ও খামার ব্যবস্থাপনার তদারকি করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন দপ্তরের কর্মীরা।
মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, মৎস্য সম্প্রসারণ ও মান নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তার পদটি সৃষ্টির পর থেকেই পূরণ হয়নি। উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা এবং অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটরের পদ প্রায় ১১ বছর ধরে শূন্য।
জনবলের অভাবে মাছের খামার পরিদর্শন, নতুন উদ্যোক্তাদের কারিগরি পরামর্শ, চাষিদের প্রশিক্ষণ, নিবন্ধন, উৎপাদনের পরিসংখ্যান সংগ্রহ এবং মাছের রোগবালাই নিয়ন্ত্রণের মতো কাজে জটিলতা দেখা দিচ্ছে; প্রকল্প বাস্তবায়ন, ভ্রাম্যমাণ অভিযান ও দাপ্তরিক কাজের চাপও বাড়ছে। এতে চাষিরা সময়মতো পরামর্শ ও তদারকি না পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
শার্শা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ বালা বলেন, মাত্র দুজন দিয়ে অফিস চালাতে হচ্ছে; দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় নিয়মিত কাজ, মাঠ তদারকি ও সরকারি কর্মসূচি বাস্তবায়নে অনেক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, উৎপাদন ও চাষিদের সেবা সচল রাখতে শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা দরকার।
ছবি: Zitu.madcap0901125 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: এগ্রিকেয়ার২৪





মন্তব্য
(০)