তিসির জমিতে পাসমো রোগের প্রথম লক্ষণ হতে পারে গাছ হেলে পড়া, আর ফসল কাটার সময়ই তা খোঁজার ভালো সময় বলে কানাডার মেলফোর্ট রিসার্চ ফার্মে ক্যানোলা ও তিসির রোগ বিষয়ক এক কর্মশালায় জানিয়েছেন স্যাস্ক অয়েলসিডসের সম্প্রসারণ কৃষিবিদ ইয়ান এপ; খবরটি দিয়েছে ম্যানিটোবা কো-অপারেটর।
পাসমো তিসির সবচেয়ে সাধারণ রোগ, গড়ে প্রায় ৪০ শতাংশ জমিতে দেখা যায়। আর্দ্র আবহাওয়ায় এটি বাড়ে এবং মৌসুমের শেষ দিকে দেখা দেয়। এ সময় সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ কাণ্ডে পালাক্রমে গাঢ় ও হালকা ডোরা দাগ। এপ বলেন, জমিতে গাছ হেলে পড়লে, আর্দ্রতা ও ভেজা ভাব বেশি থাকলে পাসমো বেশি দেখা যাবে।
শুইয়ে কাটা বা কাটার আগের সিদ্ধান্তের সময় থেকে কম্বাইন চালানো পর্যন্ত কৃষকেরা জমি দেখতে পারেন, শুরু করতে পারেন হেলে পড়া অংশ থেকে, কারণ সেখানে রোগের চাপ বেশি থাকে। তিসির কোনো জাতই এ রোগ প্রতিরোধী নয়, তাই আবহাওয়া ও পরিবেশই মূল বিষয়। রোগে গাছ দুর্বল হয়, আগেভাগে পেকে যায়, বৃষ্টি বা বাতাসে ফলের গুটি ঝরে পড়তে পারে। এপের ভাষায়, সব মিলিয়ে মৌসুমের শেষে ফলন কমে, এটাই সবচেয়ে বড় ক্ষতি।
পাসমোর জন্য ছত্রাকনাশক নিবন্ধিত আছে, তবে তা দিতে হয় মৌসুমের আগে; কাণ্ডে দাগ স্পষ্ট হওয়ার সময় আর দমন নয়, কাজ হলো সমস্যাটি চেনা। এখন কাণ্ড পরীক্ষা করলে কম ফলনের কারণ বোঝা যায় এবং পরের বছরের ব্যবস্থাপনা ঠিক করা যায়।
অ্যাগগ্রো কনসাল্টিংয়ের স্বাধীন কৃষিবিদ কারা অ্যানান্ড বলেন, এ বছরের ভেজা, ঝোড়ো ও অস্থির আবহাওয়ায় একসঙ্গে নানা রোগ ও পোকা দেখা দিয়েছে। এপ জানান, প্রতিরোধ গড়ে ওঠার কারণে পাসমো তীব্র হচ্ছে না, এর প্রভাব এখনো আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে। তাঁর মূল পরামর্শ: জমিতে গিয়ে রোগ খুঁজুন।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন উইলিয়াম ডেকে (William DeKay)।
ছবি: Rasbak / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: ম্যানিটোবা কো-অপারেটর




মন্তব্য
(০)