জার্মানির উন্নয়ন সংস্থা জিআইজেড (GIZ), পেপসিকো ইন্ডিয়া ও বায়ারের ক্রপ সায়েন্স বিভাগ হারভেস্ট (HARVEST) নামে একটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব ঘোষণা করেছে। অ্যাগ্রোস্পেকট্রাম জানাচ্ছে, তিন বছরে মহারাষ্ট্র ও মধ্যপ্রদেশের ৩৫ হাজার ভুট্টাচাষির কাছে পৌঁছানো এর লক্ষ্য।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে জার্মানির অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের (বিএমজেড) ডেভেলপিপি (develoPPP) কর্মসূচির আওতায়।
অংশীদারদের ভাষ্য, ভারতে ভুট্টা খাদ্য, পশুখাদ্য ও শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে এবং ক্ষুদ্র কৃষকের জীবিকায় গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনিয়মিত বৃষ্টি, খরা, বাড়তি তাপমাত্রা ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর চাপ কৃষকের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
হারভেস্ট ভুট্টাভিত্তিক চাষে, পর্যায়ক্রমিক ফসলসহ, স্থানীয় উপযোগী পুনরুজ্জীবনী পদ্ধতি ছড়াবে। নজর থাকবে মাটির স্বাস্থ্য, পানি ও উপকরণের দক্ষ ব্যবহার, ফসল বৈচিত্র্য এবং জলবায়ু ঝুঁকি সামলানোর চর্চায়। প্রকল্পটি বলছে, বড় পরিসরে পুনরুজ্জীবনী কৃষিতে যাওয়ার যুক্তি দাঁড় করানো এবং সেই ঝুঁকি কমানোও তাদের কাজ।
ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব মেইজ রিসার্চসহ স্বাধীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সংস্থার সঙ্গে মিলে গবেষণা এবং মাটি ও পানি মূল্যায়নের ভিত্তিতে স্থানীয় সুপারিশ তৈরি হবে। প্রদর্শনী খামার ও কৃষক থেকে কৃষকের শেখার ব্যবস্থা থাকবে, সরকারি সম্প্রসারণ সেবা, কৃষিবিদ ও খামার নেতাদের প্রশিক্ষণও হবে।
বায়ারের ক্রপ সায়েন্স বিভাগের ভারত, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার প্রধান সাইমন ভিবুশ (Simon Wiebusch) বলেন, পুনরুজ্জীবনী কৃষি বড় পরিসরে নিতে হলে টেকসই চর্চা আর কৃষকের আর্থিক লাভকে একসঙ্গে এগোতে হবে। পেপসিকো ইন্ডিয়ার জ্যেষ্ঠ পরিচালক অশোক রাই (Ashok Rai) জানান, আলু চাষে মাটির স্বাস্থ্য নিয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতা এবার ভুট্টায় আনা হচ্ছে।
পেপসিকো ও বায়ার দুই দশকের বেশি সময় ধরে আলুর মূল্য শৃঙ্খলে একসঙ্গে কাজ করছে, আর ২০২১ থেকে ২০২৫ সালে থাইল্যান্ডে আলু ও ধানের একটি প্রকল্পে পেপসিকো ও জিআইজেড যুক্ত ছিল। ঘোষণায় বাজেট বা মাঠের ফলাফলের কোনো হিসাব নেই; ৩৫ হাজার একটি লক্ষ্যমাত্রা।
ছবি: Thamizhpparithi Maari / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: AgroSpectrum





মন্তব্য
(০)