আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ইরি) দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক কেন্দ্র আইএসএআরসির (ISARC) ভারতের বারাণসীর উদ্ভিদ ও মৃত্তিকা পরীক্ষাগার গ্লোবাল সয়েল ল্যাবরেটরি নেটওয়ার্ক বা গ্লোসোলানের (GLOSOLAN) সদস্য হয়েছে। সদস্যপদ কার্যকর হয়েছে ৭ অক্টোবর ২০২৬ থেকে।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) গ্লোবাল সয়েল পার্টনারশিপের আওতায় ২০১৭ সালের নভেম্বরে গ্লোসোলান যাত্রা শুরু করে। এর লক্ষ্য বিভিন্ন দেশের পরীক্ষাগারের মাটি পরিমাপ ও বিশ্লেষণের তথ্যকে এক মানে আনা।
এই সদস্যপদের ফলে বারাণসীর পরীক্ষাগার বিশ্বের অন্য মৃত্তিকা পরীক্ষাগারের সঙ্গে কারিগরি জ্ঞান বিনিময় করতে পারবে এবং নিজের বিশ্লেষণ পদ্ধতি আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে মেলাতে পারবে। ইরি বলছে, এতে কৃষি গবেষণায় ব্যবহৃত মাটির তথ্য আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য হতে পারে।
ইরির জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ও পরীক্ষাগারের প্রধান ড. অ্যান্থনি ফুলফোর্ড (Dr. Anthony Fulford) বলেন, এতে জাতীয় রেফারেন্স পরীক্ষাগার আইসিএআর-ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সয়েল সায়েন্সের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার হবে এবং মাটি পরীক্ষার বৈশ্বিক মান তৈরিতে অবদান রাখার সুযোগ মিলবে।
ইরির মৃত্তিকা বিজ্ঞানী ড. দেবব্রত নাথ (Dr. Debabrata Nath) বলেন, মাটির তথ্যের আসল মূল্য শুধু কী মাপা হলো তাতে নয়, সেই জ্ঞান কতটা আস্থার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে তাতে।
ইরির ভাষ্য, মাটির তথ্য সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে গবেষকেরা মাটির অবস্থা ভালোভাবে যাচাই করতে পারবেন, প্রমাণভিত্তিক ফসল ব্যবস্থাপনায় সহায়তা মিলবে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় টেকসই ধান উৎপাদনের গবেষণা এগোবে।
ছবি: Achuthan K V / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: IRRI





মন্তব্য
(০)