যুক্তরাষ্ট্রের গ্রেট প্লেইনসের তৃণভূমির জন্য আলাদা একটি অগ্নিঝুঁকি সূচক তৈরি করছেন কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটির এক ডক্টরাল গবেষক। ফার্মস ডটকম জানাচ্ছে, র্যাঞ্চার ও ভূমি ব্যবস্থাপকেরা কখন নিরাপদে নিয়ন্ত্রিত আগুন দিতে পারবেন, সেই সিদ্ধান্তে এটি সাহায্য করবে।
গাছপালা নিয়ন্ত্রণ, বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষা এবং বড় দাবানলের জ্বালানি কমাতে নিয়ন্ত্রিত আগুন সেখানে নিয়মিত ব্যবহার হয়। বেশির ভাগ সময় তা নিরাপদেই শেষ হয়, কিন্তু আবহাওয়া বদলে গেলে আগুন সীমা ছাড়িয়ে আশপাশের জনপদের জন্য বিপদ হতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান ও কৃষি প্রকৌশল বিভাগের গবেষক মায়োওয়া জর্জ (Mayowa George) বলেন, প্রচলিত অনেক অগ্নিঝুঁকি মডেল অন্য অঞ্চল, অন্য গাছপালা বা দাবানল কর্মসূচির জন্য তৈরি, তাই তৃণভূমিতে সেগুলো ততটা মানানসই নয়।
তাঁর গ্রাসল্যান্ডস ফায়ার ডেঞ্জার ইনডেক্স (জিএফডিআই) বাতাসের গতি, তাপমাত্রা, ঘাসের শুকিয়ে আসা, জ্বালানির আর্দ্রতা ও দীর্ঘমেয়াদি খরা মিলিয়ে হিসাব করে, ঘাসের আগুন কত সহজে ছড়াতে পারে এবং তা নিয়ন্ত্রণ কত কঠিন হবে। মরা ঘাসের আর্দ্রতা ও ঘাসের শুকিয়ে আসা পূর্বাভাসের জন্য আলাদা উপমডেলও তিনি বানিয়েছেন। আবহাওয়া কেন্দ্র, আর্দ্রতা মডেল ও গাছপালার মূল্যায়নের তথ্য এতে কাজের তথ্যে রূপ নেয়।
লক্ষ্য অভিজ্ঞতার জায়গা নেওয়া নয়, তার সঙ্গে যোগ করা। জর্জ বলেন, তিনি এমন একটি হাতিয়ার চান, যা ভূমি ব্যবস্থাপকদের পাশে থেকে তাঁদের বিচারবোধকে সহায়তা করবে; সঠিক তথ্য পেলে আগুন দেওয়া আরও নিরাপদ হবে এবং ঝুঁকি কমবে। সূচকটি মাঠের জ্ঞান সংরক্ষণ করে নতুন ব্যবস্থাপক ও অপরিচিত এলাকায় কাজ করা লোকদের কাছে পৌঁছে দিতেও পারে।
জর্জের আগ্রহের শুরু শৈশবে, যখন তাঁর এলাকায় বড় একটি আগুনে অনেক প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি হয়। তাঁর তত্ত্বাবধায়ক একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জিফেই লিউ (Zifei Liu)। কাজটি নিয়ে জুলিয়া হলের (Julia Hall) একটি লেখা প্রকাশ হয়েছে।
ছবি: U.S. Fish and Wildlife Service / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)