সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১২ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩১°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৬%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

রংপুর অঞ্চলে কলার আবাদ বাড়ছে, হিমাগার আর প্রক্রিয়াজাতকরণ না থাকায় দাম পান না চাষি

রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪,০৭৭ হেক্টরে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১৬ টন কলা উৎপাদন হয়েছে; কিন্তু হিমাগার, প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র ও ভালো পরিবহন না থাকায় চাষিরা ফড়িয়াদের কাছে কম দামে বেচতে বাধ্য হচ্ছেন।

রংপুর অঞ্চলে কলার আবাদ বাড়ছে, হিমাগার আর প্রক্রিয়াজাতকরণ না থাকায় দাম পান না চাষি
ফল

রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে দ্রুত বাড়ছে কলার আবাদ। সাগর, মালভোগ, চিনিচম্পা ও মেহের সাগরসহ নানা জাতের কলা চাষ হচ্ছে বিস্তীর্ণ এলাকায়। কম খরচে বেশি লাভের আশায় অনেক তরুণ উদ্যোক্তাও কলা চাষে নামছেন। তবে হিমাগার ও প্রক্রিয়াজাতকরণের ব্যবস্থা না থাকায় এবং ফড়িয়াদের সিন্ডিকেটের কারণে চাষিরা ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না বলে কৃষি সময়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

রংপুর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলায় ৪ হাজার ২০৮ হেক্টরে ১ লাখ ১২ হাজার ৩৫৭ টন কলা উৎপাদন হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই পাঁচ জেলায় ৪ হাজার ৭৭ হেক্টরে উৎপাদন হয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১৬ টন। এর মধ্যে শুধু রংপুর জেলাতেই ২ হাজার ২৬০ হেক্টরে উৎপাদন হয় ৮৮ হাজার ১৪০ টন। একই বছরে অঞ্চলের দ্বিতীয় প্রধান ফল আম উৎপাদন হয় ৫ হাজার ৮০৮ হেক্টরে ৭৫ হাজার ৫৬৪ টন।

দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়েও প্রতিবছর তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার হেক্টরে কলা চাষ হয়। দিনাজপুরের দশমাইল, মিঠাপুকুরের শঠিবাড়ী, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ও গোবিন্দগঞ্জের ফাঁসিতলা হাটে প্রতিদিন কয়েক কোটি টাকার কলা বেচাকেনা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সমস্যা শুরু হয় কাটার পর। কলা দ্রুত পচনশীল, তাই খেত থেকে তুলে দ্রুত বিক্রি করতে না পারলে নষ্ট হয়। অঞ্চলে সরকারি বা বেসরকারি কোনো কলা প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি, ফলে চিপস, জুস বা গুঁড়ার মতো পণ্য তৈরির উদ্যোগ নেই। উন্নত পরিবহন ও প্যাকেজিংয়ের অভাবে ঢাকাসহ বড় বাজারে পাঠানোর পথে বড় অংশ নষ্ট হয়।

মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দ ইউনিয়নের তকেয়া গ্রামের কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, একসঙ্গে অনেক কলা কাটলে হিমাগার না থাকায় কম দামে ফড়িয়াদের কাছে বিক্রি করতে হয়, একটু দেরি হলেই কলা নষ্ট হতে শুরু করে। লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের তুষভান্ডার পাইকানটারী গ্রামের চাষি সাজু মিয়ার হিসাবে, এক বিঘায় (২৭ শতাংশ) ৩০০ চারা লাগাতে খরচ ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা; ভালো কলার এক কাঁদি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়, বিঘায় বিক্রি দাঁড়ায় ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ থাকলে লাভ দ্বিগুণ বা তারও বেশি হতো বলে মনে করেন তিনি।

চাষিদের দাবি, হাট-বাজারের কাছে বিশেষায়িত কালেকশন সেন্টার গড়ে উঠলে ফড়িয়াদের দৌরাত্ম্য কিছুটা কমবে। রংপুর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয় হলে রংপুর অঞ্চলের কলা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব।

ছবি: The Roving Rokibul / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: কৃষি সময়

কৃষি সময়সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

পরিত্যক্ত জমি লিজ নিয়ে চার একরে সাগর কলা, ৮-১০ লাখ টাকা বিক্রির আশা বোয়ালমারীর হাফিজুরের

ফরিদপুরের বোয়ালমারীর সৈয়দপুরে পরিত্যক্ত জমি লিজ নিয়ে সাগর ও চাপাসব্রি জাতের ২,৭০০ কলাগাছ লাগিয়েছেন হাফিজুর রহমান সরদার; আড়াই লাখ টাকা খরচে এর মধ্যে লাখ টাকার কলা বিক্রি হয়েছে।

জাগো নিউজ ২৪১২ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ছাদকৃষি

ইউটিউব দেখে ছাদে আর আঙিনায় ড্রাগন, বছরে লাখ টাকা লাভ মতলবের বিদেশফেরত হানিফের

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে বাড়ির ১,৪০০ বর্গফুট ছাদে ও সাড়ে ৬ শতক আঙিনায় ২০২৪ সালে ড্রাগন লাগিয়েছিলেন ৬২ বছরের আবু হানিফ; এখন বছরে লাখ টাকার বেশি লাভ করছেন, এবার ইজারা নিয়েছেন আরও ৬০ শতক জমি।

প্রথম আলো১২ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

বাড়িতে চারটি চারা থেকে প্যাশন ফলের বাগান, কেজি বিকোচ্ছে ৬০০-৮০০ টাকায়

কুমিল্লার দাউদকান্দির ইছাপুরা গ্রামের দন্তচিকিৎসক আবুল হাসান ফারুক ২০২৪ সালে শখ করে বাড়িতে চারটি প্যাশন ফলের চারা লাগান; এখন মাচাভরা বাগান থেকে দুই দফায় ফল পেয়েছেন।

কৃষি সময়১২ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)