সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৩ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬০%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

মুরগির গায়ে এঁটে থাকা পিসু ও মাইট: কীভাবে চিনবেন, কীভাবে ঠেকাবেন

মুরগি অনবরত চুলকানো, ঝুঁটি ফ্যাকাশে হওয়া, ডিম কমে যাওয়া স্টিকটাইট পিসু ও মাইট আক্রমণের লক্ষণ; ঘর ও লিটার পরিষ্কার রাখা আর নতুন মুরগি আলাদা রাখাই এদের জীবনচক্র ভাঙার উপায়, বলছেন দক্ষিণ আফ্রিকার খামারি ও প্রাণিবিজ্ঞানী।

মুরগির গায়ে এঁটে থাকা পিসু ও মাইট: কীভাবে চিনবেন, কীভাবে ঠেকাবেন
লাইভস্টক

স্টিকটাইট পিসু (মুরগির চামড়ায় এঁটে থাকা এক ধরনের পিসু) আর পোলট্রি মাইট রক্ত চুষে মুরগিকে দুর্বল করে, ডিম কমায়, বেশি আক্রমণে মুরগি মারাও যায়। দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকজন খামারি ও এক প্রাণিবিজ্ঞানী ফুড ফর মজানসিকে বলেছেন, শুরুতেই লক্ষণ চেনা আর ঘর পরিষ্কার রাখাই প্রধান প্রতিরোধ।

এমপুমালাঙ্গার কোয়াগাফন্টেইনের দোবা গ্রামের ম্ফাৎসো পোলট্রির প্রতিষ্ঠাতা ম্ফাৎসো সিথোলে (Mphatso Sithole) খামারের প্রথম বছরে দেখেন, মুরগিগুলো অনবরত গা চুলকাচ্ছে, ঝিমিয়ে থাকছে, ডিম কম দিচ্ছে; খোঁয়াড়ে কয়েক মিনিট থাকলে তাঁর নিজের গাও চুলকাত। তাঁর সতর্কবার্তা, অন্য কাজের জন্য তৈরি ওষুধ ভুলভাবে দিলে মুরগির ক্ষতি হতে পারে। শুধু পোলট্রির জন্য অনুমোদিত ওষুধ, লেবেলের নির্দেশ মেনে, প্রয়োজনে পশুচিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করতে হবে।

ইস্টার্ন কেপের কফিমভাবার কোয়ান্দুঙ্গওয়ানার কোয়ান্দে পোলট্রি ফার্মের প্রতিষ্ঠাতা জোলেলওয়া ম্থেথো (Xolelwa Mthetho) ২০২৪ সালে প্রশিক্ষণের সময় মাইটের ক্ষতি দেখেছেন: ভাঙা ডিম, উৎপাদন কমে যাওয়া, মৃত্যু বেড়ে যাওয়া। তিনি বলেন, মাইট রক্ত খায়; এতে মুরগি চাপে থাকে, খাওয়া কমায়, ঝুঁটি ফ্যাকাশে হয়, অস্থির থাকে; ডিমপাড়া মুরগির ডিম কমে, খোসা দুর্বল হয়, ভাঙে বেশি। তাঁর বিশেষ সতর্কতা নতুন মুরগি নিয়ে: সব টিকা ঠিকঠাক দিলেও আলাদা না রেখে নতুন দল খামারে ঢোকানোই ‘সর্বনাশ ডেকে আনতে পারে’।

প্রাণিবিজ্ঞানী, খামারি ও কফিমভাবার শিৎশি এসসি ফার্মার্স স্টোরের মালিক ওলওয়েথু লাহো (Olwethu Laho) জানান, স্টিকটাইট পিসু পালকহীন জায়গায় জমে: ঝুঁটি, গলকম্বল, মুখ আর চোখের চারপাশে। তাঁর কথায়, ‘স্ত্রী পিসুর ডিম লিটার বা মাটিতে পড়ে, তাই সমস্যা কখনো শুধু মুরগির গায়ে থাকে না।’ বেশি আক্রমণে রক্তশূন্যতা, শরীর ভেঙে পড়া আর ডিম কমে যায়; বাচ্চা ও ছোট মুরগির ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। উষ্ণ ও ভেজা মাসে এদের সংখ্যা বাড়ে, তবে কোথাও কোথাও সারা বছরই থাকে।

তিনজনের পরামর্শই হাতেকলমে: নিয়মিত মুরগি পরীক্ষা করুন, বিশেষ করে উঠানে বা খোলা জায়গায় চরে বেড়ানো মুরগি, যেগুলো মাটির সংস্পর্শে আসে; পুরোনো লিটার ও বিছানা সরিয়ে ফেলুন; ঘর ও ডিম পাড়ার বাক্স পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করুন; ঘর শুকনো রাখুন, বাতাস চলাচল নিশ্চিত করুন; নতুন মুরগি দলে মেশানোর আগে পরজীবী আছে কি না দেখুন। মুরগির সঙ্গে ঘর ও লিটারেরও ব্যবস্থা নিলে পরজীবীর জীবনচক্র ভাঙে, আবার আক্রমণের ঝুঁকি কমে। প্রতিবেদনটি করেছেন ভাতেকা হালিলে।

ছবি: Erik Streb / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: ফুড ফর মজানসি

ফুড ফর মজানসিসূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

রান্নাবান্না

চালের গুঁড়ায় রাঁধা সিরাজগঞ্জের ‘পিটুলি মাংস’: মেজবানিতে বংশপরম্পরার ঐতিহ্য

সিরাজগঞ্জ সদর ও কাজিপুরের মেজবানিতে গরু বা মহিষের মাংসে ঢেঁকিছাঁটা আতপ চালের ভেজা গুঁড়া মিশিয়ে মধ্যরাত থেকে রান্না হয় পিটুলি মাংস; ফজরের পর থেকে ভাত, পিটুলি আর ঘোলে আপ্যায়ন হয় পুরো গ্রাম।

ইত্তেফাক২৩ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

জলাতঙ্ক সন্দেহে মরা গরুর দুধের খাবার খেয়ে টিকা নিলেন গোরখপুরের ৪৫০ গ্রামবাসী

ভারতের উত্তর প্রদেশের গোরখপুরে কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক সন্দেহে মারা যাওয়া একটি গরুর দুধে তৈরি খাবার খাওয়ার পর সতর্কতা হিসেবে দুটি গ্রামের প্রায় ৪৫০ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে; জেলার উপমুখ্য চিকিৎসা কর্মকর্তা বলছেন, দুধ ফোটালে ভাইরাস নষ্ট হয়।

ইত্তেফাক২৩ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

চরের ভেড়া খামারিদের দুই বিপদ: দুর্যোগে পশু বাঁচানো কঠিন, হাটে মেলে না দাম

ভোলার ঢালচরসহ উপকূলীয় চরে প্রাকৃতিক ঘাসে কম খরচে ভেড়া পালন দরিদ্র পরিবারের সঞ্চয়ের বড় মাধ্যম, কিন্তু দুর্যোগে উঁচু আশ্রয়ের অভাব আর হাটে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় খামারিরা লোকসানে পড়ছেন; বিএলআরআইয়ের বিজ্ঞানী বলছেন বাজারসংযোগ ও দুর্যোগ প্রস্তুতি জরুরি।

জাগো নিউজ ২৪২৩ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)